— প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে দ্বিগুণ বেড়েছে সারের দাম। এ দিকে খরিফ মরসুমের জন্য দেশে তার চাহিদা বাড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রকে সার আমদানি করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে পণ্যটিতে ভর্তুকি বাবদ খরচ প্রায় ২০% বাড়বে বলে অনুমান।
কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে বিশ্বে ভারতই সব থেকে বেশি সার আমদানি করে। মূলত পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকেই আসে ইউরিয়া, ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) এবং মিউরিয়েট পটাশ। প্রয়োজনের অর্ধেক ডিএপি এবং ইউরিয়া আমদানি হয় সৌদি আরব ও ওমান থেকে। আবার ভারতে উৎপাদিত ইউরিয়ার প্রধান উপাদান প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্যও ওই অঞ্চলের উপরে নির্ভরশীল দেশ। ইরানে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের হামলার জেরে হরমুজ় প্রণালী বন্ধ হওয়ায় পশ্চিম এশিয়া থেকে জ্বালানির সঙ্গে এই সার আমদানিও ধাক্কা খেয়েছে।
এ দিকে আবার কৃষিপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারে ভর্তুকি দেয় কেন্দ্র। তাদের হিসাব, গত অর্থবর্ষে এ বাবদ সরকারের খরচ হয়েছে ১.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা। এ বছর ২৫ লক্ষ টন সার আমদানির বরাত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। যা সারা বছরের লক্ষ্যের ২৫%। যুদ্ধের কারণে দু’মাসের মধ্যেই এর দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। সার মন্ত্রকের আধিকারিক অপর্ণা শর্মা জানান, সারে ভর্তুকিও একলাফে প্রায় ২০% বৃদ্ধির সম্ভাবনা।
তবে মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে সারের মজুত এখনও ভালই আছে। জুন-জুলাইয়ে ধান, ভুট্টা, তুলো ও তৈলবীজের বপণ শুরু হবে। তখন তার চাহিদা দ্রুত বাড়বে। যে কারণে খরিফ মরসুমে ৬৪ লক্ষ টন ইউরিয়া এবং ১৯ লক্ষ টন অন্যান্য সার আমদানির পথে হাঁটবে সরকার। তবে তার দামে কোনও পরিবর্তন হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে