Free Trade Agreement

ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার আবহে ভারতকে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করল রিপোর্ট

মুম্বইয়ে এক ভার্চুয়াল বক্তব্যে পীযূষ উল্লেখ করেন, গত সাড়ে তিন বছরে মোট ৯টি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ভারত। যেগুলির সুবিধা আগামী ৯-১০ মাসের মধ্যে ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছবে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬ ০৭:২০
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

এ মাসের শুরুতেই ওমানের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর করেছে ভারত। আগামী ছ’মাসের মধ্যে আরও অন্তত ২-৩টি এবং পরের বছর অর্থাৎ ২০২৭-এ ৩-৪টি হবে বলে বৃহস্পতিবার আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। তবে কোয়ান অ্যাডভাইজ়রি গ্রুপ এবং চিন্তন রিসার্চ ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বার্তা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহে ভারতের বর্তমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিগুলির পুনর্বিবেচনা জরুরি।

মুম্বইয়ে এক ভার্চুয়াল বক্তব্যে পীযূষ উল্লেখ করেন, গত সাড়ে তিন বছরে মোট ৯টি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ভারত। যেগুলির সুবিধা আগামী ৯-১০ মাসের মধ্যে ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছবে। মরিশাস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, অস্ট্রেলিয়া, ওমান এবং ইএফটিএ জোটের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলি ইতিমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্রিটেন এবং নিউ জ়িল্যান্ডের সঙ্গে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘গত কয়েক মাসে ভারত যে কী ভাবে জ্বালানি নিয়ে সঙ্কট মোকাবিলা করেছে, তা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে। যখন গোটি বিশ্ব তীব্র মূল্যবৃদ্ধির মুখোমুখি, তখন ভারত তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে।’’

অন্য দিকে, কোয়ান অ্যাডভাইজ়রি গ্রুপ এবং চিন্তন রিসার্চ ফাউন্ডেশন-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কৌশল অন্ধ ভাবে অন্য দেশে প্রবেশের উপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। এর বদলে, প্রতিটি চুক্তি থেকে বাজারে প্রবেশাধিকার এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের নিশ্চয়তা কতটা আদায় করা যাচ্ছে, তার একটি সুনির্দিষ্ট নিরীক্ষা প্রয়োজন। চুক্তির ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের ভারসাম্য ও দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্পের সুরক্ষার উপর জোর দিয়ে বাণিজ্য নীতি ও শিল্পনীতির মধ্যে আরও ভাল সমন্বয়ের সুপারিশও করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এমন চুক্তির মাধ্যমে ভারতের আমদানির পরিমাণ রফতানির তুলনায় দ্রুত বাড়ার কারণেই মূলত এই ধরনের পর্যালোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছে তারা। চিন্তন রিসার্চ ফাউন্ডেশন-এর সভাপতি শিশির প্রিয়দর্শী বলেন, ‘‘বাণিজ্য চুক্তিগুলিকে কখনওই স্বয়ংসম্পূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। বাজার প্রবেশাধিকার, সরবরাহ শৃঙ্খলের নিশ্চয়তা এবং শিল্প সক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রতিটি চুক্তি ঠিক কী সুফল বয়ে আনছে—সে সম্পর্কে ভারতের আরও স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন