— প্রতীকী চিত্র।
চলতি বছরে এক দশক পূর্ণ হবে নোট বাতিলের। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর পুরনো ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের অন্যতম কারণ হিসেবে বাজারে নগদ লেনদেনে রাশ টানা এবং জাল নোট কমানোর কথা তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও শুক্রবার ২০২৫-২৬ সালের জন্য রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের বার্ষিক রিপোর্ট বলছে, এক দিকে এই সময়ে দেশে নোটের সংখ্যা এবং তার অঙ্ক বেড়ে গিয়েছে যথাক্রমে ১০.৫% এবং ১১.৯%। এর মধ্যে নতুন ৫০০ টাকার নোটের সংখ্যা ১১.২% বেড়ে পৌঁছেছে ৭,০৫,৪৮২ লক্ষে। অঙ্কের বিচারে তা ৩১.৭২ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৫.২৭ লক্ষ কোটি। অন্য দিকে, ২০২৫-২৬ সালে ৫০০ টাকার জাল নোট ধরা পড়েছে ২০% বেশি। সব মিলিয়ে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় জাল নোট নজরে আসার পরিমাণও বেড়েছে ৫.৭%। যার মধ্যে ৫০০ ছাড়াও বেশি রয়েছে ২০ টাকার (৪৭.৪%) নোট। ফলে প্রশ্ন উঠছে, যে কারণ দেখিয়ে মোদী নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তা আদৌ পূরণ হয়েছে কি?
শীর্ষ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, গত বছর বাজারে সংখ্যার নিরিখে ৫০০ টাকার নোট অংশীদারি ছিল মোট নোটের ৪১.২%। আর ১০ টাকার নোটের ১৬.৪%। শুধু নোটই নয়, বেড়েছে কয়েনের পরিমাণও। টাকার অঙ্কে বৃদ্ধির হার ১১.৪% এবং সংখ্যার বিচারে তা ৪.৫%। তবে বড় নোটের চাহিদা কমায় নেমেছে নোট ছাপানোর খরচ। ২০২৪-২৫ সালের ৬৩৭৯ কোটি টাকা থেকে তা হয়েছে ৪৮৭৫ কোটি টাকা। বিশেষত, ৫০০ এবং ২০০ টাকার নোট ছাপানো কমেছে। বেড়েছে ১০ টাকার চাহিদা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে