LPG Crisis

৩০ দিনের মতো এলপিজি মজুতের নির্দেশ কেন্দ্রের

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে হরমুজ় প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হওয়ায় অশোধিত তেল আমদানির সঙ্গে সঙ্গে এলপিজি আমদানিতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ভারতকে প্রয়োজনের ৬০ শতাংশ এলপিজি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ০৮:৪২
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

অন্তত ৩০ দিনের এলপিজি বা রান্নার গ্যাস দেশে মজুত থাকতে হবে।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জ্বালানি বহনকারী জাহাজ চলাচলে সমস্যা তৈরি হওয়ায় দেশে ৩০ দিনের এলপিজি মজুত করার পরিকাঠামো তৈরির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা বলেন, ‘‘আমরা এলপিজি-র কৌশলগত ভান্ডারের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছি। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলিকে (ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রলিয়াম, ভারত পেট্রলিয়াম) অন্তত ৩০ দিনের এলপিজি মজুত রাখার ভান্ডার তৈরির পরিকল্পনা করতে বলা হয়েছে।’’ কত দিনের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে, তা নিয়ে পেট্রলিয়াম মন্ত্রক মুখ খুলতে নারাজ। বিপদের কথা ভেবে অশোধিত তেল মজুত রাখার জন্য দেশে এখন মাটির নিচে ‘ক্যাভার্ন’ রয়েছে। এলপিজি মজুত রাখার জন্যও মাটির নিচে ভান্ডার তৈরি হবে কি না, তা খরচ ও অন্য নানা দিক দেখে
ঠিক হবে।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে হরমুজ় প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হওয়ায় অশোধিত তেল আমদানির সঙ্গে সঙ্গে এলপিজি আমদানিতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ভারতকে প্রয়োজনের ৬০ শতাংশ এলপিজি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এই আমদানির ৯০ শতাংশ আসে হরমুজ় প্রণালী হয়ে। যুদ্ধের আগে দেশে দৈনিক এলপিজি-র চাহিদা ছিল ৯০ হাজার টন। বাণিজ্যিক সংস্থাগুলির জন্য এলপিজি জোগানে রাশ টানায় তা কমে দৈনিক চাহিদা ৭২ হাজার টনে এসে দাঁড়িয়েছে। অন্য দিকে এলপিজি-র উৎপাদন বাড়ানোর পরেও দৈনিক ৫২ হাজার টন এলপিজি উৎপাদন হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ় প্রণালী পার হওয়ার অপেক্ষায় এখনও ১৩টি ভারতীয় জাহাজ দাঁড়িয়ে রয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে এলপিজি রয়েছে। পাঁচটিতে অশোধিত তেল, একটিতে রাসায়নিক, তিনটিতে নানা রকম পণ্য, দু’টিতে খাদ্যশস্য ও একটি ড্রেজ়ার রয়েছে। জাহাজ মন্ত্রকের যুগ্মসচিব অপেশ কুমার শর্মা বলেন, ভারতমুখী একটি বিদেশি জাহাজ সম্প্রতি অশোধিত তেল নিয়ে হরমুজ় পেরিয়েছে। আগামী ৩ জুন এই জাহাজ বিশাখাপত্তনমে পৌঁছবে। ভারতের জাহাজগুলিকে আবার হরমুজ়ের দিকে রওনা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার হল, আটকে থাকা জাহাজগুলিকে বের করে আনা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন