—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
সোনা আমদানি কমিয়ে বিদেশি মুদ্রার খরচ বাঁচানোর জন্য সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী এক বছর গয়না কিনতে বারণ করেছেন দেশের নাগরিকদের। তার পরেই সোনা আমদানিতে রাশ টানতে তাতে শুল্কের হার ৬% থেকে দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে ১৫% (জিএসটি নিয়ে ১৮.৪৫%) করে কেন্দ্র। এ বার কঠোর করা হল সোনা আমদানির নিয়ম। বৃহস্পতিবার ডিরেক্টর জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছেন, এ বার থেকে সোনা আমদানি করার জন্য আগাম অনুমোদন নিতে হবে। এমনকি সে ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ১০০ কেজির বেশি কেনা যাবে না। প্রথম বার সোনা আমদানির আবেদন করলে বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। ডিজিএফটির আঞ্চলিক দফতর খতিয়ে দেখবে, ওই আবেদনকারীর গয়না তৈরির কারখানা আছে কি না, থাকলে সেটির উৎপাদন ক্ষমতা, সেই সঙ্গে পরিচালনার বিষয়গুলিও। বাধ্যতামূলক ভাবে কারখানা পরিবদর্শন করবে ডিজিএফটি।
বর্তমান আমদানিকারীদের কেউ ফের আমদানির জন্য আগাম অনুমোদন চাইলে খতিয়ে দেখা হবে, আগের দফার আমদানি করা সোনার অন্তত ৫০% রফতানির জন্য গয়না তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে কি না। যিনি আগাম অনুমোদন নেবেন, তাঁকে ওই সোনার ব্যবহার এবং রফতানির ব্যাপারে ১৫ দিন অন্তর সংশ্লিষ্ট দফতরে রিপোর্ট দিতে হবে। জমা দিতে হবে স্বাধীন চার্টার্ড অ্যাকাউট্যান্ট-এর শংসাপত্র। যিনি রিপোর্টের যথার্থতা খতিয়ে দেখবেন। সোনা আমদানি-রফতানির লেনদেন সংক্রান্ত হিসাব-সহ রিপোর্ট প্রতি মাসে জমা দিতে হবে ডিজিএফটি-র আঞ্চলিক দফতরকে। যাতে আমদানিতে নজরদারি করা যায়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে