—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব নিয়ে বৃহস্পতিবার, কাজের দ্বিতীয় দিনই রাজ্যের একাধিক শিল্পকর্তার সঙ্গে বৈঠক করলেন মন্ত্রী তাপস রায়। দফতরের বিস্তারিত কার্যক্রম সম্পর্কে জানলেন প্রধান সচিব বন্দনা যাদব-সহ শীর্ষকর্তাদের কাছ থেকে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহের শুরুতে শিল্প দফতরে কাজের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রীকে রিপোর্ট দেবেন তাঁরা। রাজ্যে বিগত বছরগুলিতে আসা লগ্নির প্রস্তাব, তার বাস্তবায়ন এবং বাংলা ছেড়ে চলে যাওয়া সংস্থাগুলির বিশদ তালিকাও তাঁকে সেই সময়ই দেওয়া হবে। এ দিন তাপস সঞ্জয় বুধিয়া, পবন রুইয়া-সহ শিল্প মহলের একাধিক ব্যক্তি এবং বণিকসভার কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন।
এ দিন তাপস জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের রফতানিভিত্তিক বিশেষ আর্থিক অঞ্চলগুলিকে (এসইজ়েড) চাঙ্গা করার পাশাপাশি, ওই ধরনের নতুন কিছু শিল্পাঞ্চল চালু করতে চান তাঁরা। সে ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। তাপস বলেন, ‘‘রাজ্য থেকে রফতানি বাড়ানোর পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবেই এই উদ্যোগ।’’ দুর্গাপুরের মতো আরও শিল্পনগরী গড়ার ভাবনাও রয়েছে, দাবি নতুন শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের।
এসইজ়েড হল রফতানিভিত্তিক শিল্পাঞ্চল। রাজ্য প্রশাসন সূত্রের দাবি, এগুলি তৈরির বিরোধী ছিলেন পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার ফল হিসেবে বাংলা অনেক লগ্নি হারিয়েছে। এক সময়ে এসইজ়েডে পুঁজি ঢালতে চেয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তি অগ্রণী ইনফোসিসও। কিন্তু মমতা তাতে সায় দেননি। ওই সূত্রের বার্তা, ফলতার এসইজ়েড-টির হাল খুব খারাপ। সেটিকে চাঙ্গা করা হবে। এ রকম আরও শিল্পাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং দলের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান তাপস।
মৌমিতা বলেন, ‘‘দুর্গাপুরের মতো শিল্পনগরী গড়ে তোলা বিরাট বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু তৃণমূল সরকার রাজ্যের যে ভাবমূর্তি তৈরি করে গিয়েছে, তা নতুন বিনিয়োগ আসার পরিপন্থী। লগ্নি টানার পথে তোলাবাজি, গুন্ডামি, সিন্ডিকেট রাজ আগের জমানায় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই কাঁটা সরিয়ে ভাবমূর্তি বদলে লগ্নি টানার জন্য সব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করা হবে। কাজটা কঠিন হলেও আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, পশ্চিমবঙ্গকে শিল্পবান্ধব করে তুলতে সফল হব আমরা।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে