—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
কম মজুরি, নিরাপত্তাহীনতা, মাত্র ১০ মিনিটে পণ্য পৌঁছে দিতে না পারলে মজুরি কাটা বন্ধের দাবিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মঘট করলেন খাবার ও জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার পরিষেবায় যুক্ত কর্মীদের (গিগ কর্মী) একাংশ। বর্ষশেষের রাতে এই ধরনের পরিষেবার চাহিদা সারা বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়। তবে জ়োম্যাটো, সুইগি, ব্লিংকিট, ইনস্টামার্ট, জ়েপটোর মতো অ্যাপ-নির্ভর পণ্য সরবরাহ সংস্থাগুলির দাবি, তাদের পরিষেবা বিশেষ ধাক্কা খায়নি। যা খেয়েছিল গত ২৫ ডিসেম্বর। আর পশ্চিমবঙ্গে ধর্মঘটের কোনও প্রভাব পড়েনি।
এরই মধ্যে জ়োম্যাটো এবং সুইগি গিগ কর্মীদের অতিরিক্ত ভাতা দেবে বলে জানিয়েছে। যদিও দুই সংস্থার অন্দরের সূত্রের বক্তব্য, ৩১ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি বাড়তি ভাতা দেওয়া নতুন কোনও ঘটনা নয়। তারা কর্মীদের অতিরিক্ত কিছু দিচ্ছে বা কোনও দাবি মানছে, এমন বার্তাও দেয়নি। তার উপর মুম্বই ও মহারাষ্ট্রের গিগ কর্মীদের সংগঠনও ধর্মঘটে যোগ দিয়েছে।
তেলঙ্গানা গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন এবং ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাপ বেসড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সের নেতৃত্বে ২৫ এবং ৩১ ডিসেম্বর ধর্মঘট পালন করেছেন গিগ কর্মীরা। এরই মধ্যে জ়োম্যাটো জানিয়েছে, বর্ষশেষে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ডেলিভারি প্রতি ১২০-১৫০ টাকা দেবে তারা। সারা দিনে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আয় হতে পারে। অস্থায়ী ভাবে স্থগিত থাকবে দেরিতে পণ্য পৌঁছনোর জরিমানা। সুইগি জানিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি মিলিয়ে ওই কর্মীদের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় হতে পারে। যদিও ইউনিয়নের দাবি, সংস্থাগুলির কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে