—প্রতীকী চিত্র।
কাঁচা পাটের আকালে সমস্যা বাড়ছে চট শিল্পের। পথ খুঁজতে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক চটকল মালিক এবং কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন বুধবার। ছিলেন জুট কমিশনারও। সূত্রের খবর, সেখানে সমস্যার জন্য দায়ী করা হয়েছে কেন্দ্রকেই। ঠিক হয়েছে শিল্পের স্বার্থে বিভিন্ন দলের শ্রমিক সংগঠনগুলির প্রতিনিধিরা বাজেটের পরে দিল্লি যাবেন বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিংহের সঙ্গে দেখা করতে। মলয়ের অভিযোগ, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান শিল্প চট। কিন্তু কেন্দ্রের কিছু নীতির জেরে বাজারে তার কাঁচামাল পাটের অভাব চরমে পৌঁছেছে। সঙ্কটে চটকল। বহু কর্মী কাজ হারাচ্ছেন। বাংলাকে বিপাকে ফেলতেই ইচ্ছাকৃত ভাবে নিষ্ক্রিয় কেন্দ্র। এটা ষড়যন্ত্র।’’
মলয়ের দাবি, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে পাট আমদানি নিয়ন্ত্রণ করেছে কেন্দ্র। ফলে পাট কম পাচ্ছে চটকলগুলি। রাজ্য এবং শিল্পের আর্জি ছিল বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্য আমদানি বন্ধ করুক কেন্দ্র। বন্ধ করা হোক সেখানে উন্নত পাট বীজের রফতানিও। না হলে দেশের চটকল দুর্বল হবে। আর বাংলাদেশ উন্নত পাট উৎপাদন করে, তার থেকে তৈরি পণ্য এ দেশে পাঠিয়ে সুবিধা নেবে। কিন্তু আর্জি গ্রাহ্য করেনি কেন্দ্র। চটকল মালিকদের সংগঠন আইজেএমএ-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সঞ্জয় কাজারিয়া জানান, ৮টি চটকল বন্ধ হওয়ায় প্রায় ৬০,০০০ কর্মী কাজ হারিয়েছেন। বাকিগুলিতে আংশিক উৎপাদন চলছে। কোপ পড়ছে কর্মীদের বেতনে।
ইনটাক-এর এনইউজেডব্লিউ-র সেক্রেটারি জেনারেল মাস্টার নিজাম বলেন, ‘‘উৎপাদন কম। তার উপর দাম বাড়াতে ফড়েরা পাট মজুত করছে। সেগুলি উদ্ধার করা জরুরি।" এআইইউটিইউসির বেঙ্গল জুট ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি দিলীপ ভট্টাচার্যের বার্তা, জুট কর্পোরেশন নতুন পাট ওঠার পরই পুরোটা কিনে নিয়ে চটকলগুলিতে পাঠাক। চাষি, চটকল কর্মী, দু’পক্ষই উপকৃত হবেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে