প্রবন্ধ ১

ঠিক পথে প্রতিরোধই যাদবপুরের দায়

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যে বিপদ তৈরি হচ্ছে, তা প্রতিরোধ না করলেই নয়, কিন্তু অভ্যস্ত পথে প্রতিরোধ করলে ধ্বংসকারীদের উদ্দেশ্যই সাধিত হবে। ঠিক পথ খুঁজতে হলে সমস্যাটা পুরোপুরি বোঝা দরকার। আবার যাদবপুর নিয়ে উত্তেজনা। যে যা-ই বলুক, উত্তেজনা লোকে উপভোগ করে। যে রাজনৈতিক দল দেশসেবার অন্য অবকাশ না পেয়ে রাজ্যের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর অযাচিত আগ্রাসন, তৎসহ অসহিষ্ণুতা ও অপভাষণের নতুন দৃষ্টান্ত রোজ স্থাপন করছে, তার ছেলেবুড়ো সকলে দৃশ্যত উজ্জীবিত।

Advertisement

সুকান্ত চৌধুরী

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০১৬ ০০:০৪
Share:

জরুরি প্রতিরোধ। বহিরাগত আক্রমণের প্রতিবাদে যাদবপুর বিশ্ববদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। পিটিআই

আবার যাদবপুর নিয়ে উত্তেজনা। যে যা-ই বলুক, উত্তেজনা লোকে উপভোগ করে। যে রাজনৈতিক দল দেশসেবার অন্য অবকাশ না পেয়ে রাজ্যের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর অযাচিত আগ্রাসন, তৎসহ অসহিষ্ণুতা ও অপভাষণের নতুন দৃষ্টান্ত রোজ স্থাপন করছে, তার ছেলেবুড়ো সকলে দৃশ্যত উজ্জীবিত। জবাবে যাদবপুরের ছাত্র-শিক্ষককুলও অবধারিত ভাবে রক্ত গরম করে নিচ্ছেন। রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহল আসর মাতাবার এমন উপলক্ষ পেয়ে উৎফুল্ল। যাদবপুরের প্রতিরোধশক্তির কি আবার জয় হবে? টানটান উত্তেজনা, সন্দেহ কী।

Advertisement

জয় হবে আমিও আশা করি, নইলে রাজ্যে মুক্ত চিন্তা ও পঠনপাঠনের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কিন্তু এমন যুদ্ধে আদতে কেউই জয়ী হয় না। রাজনৈতিক প্রতিরোধ নিয়ে সকলে এত মশগুল যে কারও খেয়াল নেই, প্রতিপক্ষ অন্যত্র নিঃশব্দে জমি দখল করে নিচ্ছে।

রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীর দল, বড়জোর শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি, যাদবপুর নিয়ে যত উদ্বেলিত, রাজ্যের বাকি অধিবাসীরা তার সিকিভাগ নন, হওয়ার কারণ নেই। যাদবপুর তাঁদের নজরে আসে যখন সেখানকার ঘটনা আক্ষরিক অর্থে রাস্তায় উপচে পড়ে। সোনারপুর থেকে ঢাকুরিয়ার মধ্যে যাঁরা বাস করেন, গত দু’সপ্তাহে তাঁদের স্বাভাবিক জীবন বার বার ব্যাহত হয়েছে। এর আসল হেতু যে বাইরের কোনও সংগঠনের হানা, এত দূর তাঁরা তলিয়ে ভাববেন এমন আশা কম; তাঁরা বুঝবেন (বা তাঁদের বোঝানো হবে) যে নষ্টের মূলে সেই যাদবপুর।

Advertisement

তথাকথিত এলিট প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনমানসের কোণে একটু বিরূপতা সব সময়েই থাকে, সেই সঙ্গে প্রায়ই থাকে সামাজিক রক্ষণশীলতা। ‘বেহায়া মেয়ে’, ‘অপসংস্কৃতি’, আর অবশ্যই ‘দেশদ্রোহিতা’র গল্প ফেঁদে জনসাধারণকে প্রভাবিত করা আদৌ কঠিন নয়। আশঙ্কা হয়, শিক্ষাবিরোধী অসহিষ্ণুর দল তাদের রাজনৈতিক সমর্থন এই ভাবে পরিপুষ্ট করছে কি না; সেটাই হয়তো তাদের অভিযানের আসল লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির প্রসার আটকে ছাত্রেরা যদি উল্লসিত হয়, যেন সজাগ থাকে যে একটা লড়াই জিতে এই বৃহত্তর অদৃশ্য যুদ্ধে তারা হেরে না যায়।

তবে কি প্রতিরোধ হবে না? অবশ্যই হবে, নইলে সমূহ বিপদ; আর হবে কেবল যাদবপুরের জন্য নয়, বৃহত্তর স্বার্থে। এত বড়, এত উৎপাদনশীল একটা শিক্ষায়তনের বিপর্যয় ঘটলে দেশবাসীর ক্ষতি। কিন্তু প্রতিরোধের উপায়, মাত্রা ও সময় সম্বন্ধে সতর্ক না হলেই নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তো বটেই, বাইরের সহানুভূতিশীল শিক্ষককুল গোড়া থেকে বার বার বলে যাচ্ছেন: ছাত্রেরা যেন ফাঁদে পা না দেয়, প্ররোচনায় মাথা ঠান্ডা রাখে। অধিকাংশ ছাত্র-সংঘাত, তা যতই অবাঞ্ছিত হোক, ক্যাম্পাসের মধ্যে দুই গোষ্ঠীর বিবাদ থেকে শুরু হয়; এ ক্ষেত্রে বাইরে থেকে অযাচিত প্ররোচনায় অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে, যাতে ছাত্র-শিক্ষক-কর্তৃপক্ষ বেচাল কিছু করে বসেন যা ভাঙিয়ে আইনের উদ্রেক করা যায়, কি খোলাখুলি আক্রমণ করা যায়, অন্তত মানুষের মন বিষিয়ে দেওয়া যায়। প্রথম রাতেই একটা বিপর্যয় ঘটে যেতে পারত, চূড়ান্ত প্ররোচনাও ছিল; ঘটেনি যে, তা কেবল উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের অসাধারণ তৎপরতা ও বিচক্ষণতার জন্য।

মারের বদলে মার তো নয়ই, বক্তৃতার বদলে আরও গরম বক্তৃতা, এবং বিশেষ করে মিছিলের বদলে মিছিল— এই পরিচিত আবর্তের বাইরে প্রতিবাদ-প্রতিরোধের নতুন পথ তাই না খুঁজলেই নয়। বর্তমান সংকট এমন চিন্তার, কেবল সুযোগ নয়, একটা জরুরি তাগিদ সৃষ্টি করেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে, এই সময়টা (সম্ভবত নির্বাচনের সুবাদে) যাদবপুরের উপর কোনও আক্রমণ আসেনি; যাদবপুরও তার অভ্যস্ত ছন্দে চলেছে, লেখাপড়া গবেষণার কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি। আজকের চ্যালেঞ্জটা আর একটু কঠিন: আক্রমণ সত্ত্বেও সেই ছন্দ বজায় রাখা, অবকাশ থাকলেও প্রকাশ্য আন্দোলনে যথাসম্ভব রাশ টানা, আর অবশ্যই খুচরো বাগ্‌বিতণ্ডা পরিহার করা। এমন নিরামিষ প্রস্তাব মেনে নিতে ছাত্রসমাজের মন চাইবে না, কিন্তু নিজস্বার্থেই তাদের এমন না ভাবলে নয়। কুনাট্য রচনার অসম প্রতিযোগিতায় তারা কি সত্যিই জিততে পারবে, না জিততে চায়? সসম্মান বাঁচার একমাত্র উপায় বহিরাগত অশান্তির বাহকদের বলতে পারা, ‘দেখছ তো, আমরা শান্তিতে নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সে কাজটা আমরা ভালই করতে পারি, দুনিয়া তার সাক্ষী। যদি গণ্ডগোল পাকাতে চাও, তোমাদেরই একতরফা করতে হবে, দায়ও একশো ভাগ তোমাদের উপর বর্তাবে।’

এমন পন্থা অবলম্বনের আরও জরুরি একটা কারণ আছে। যাদবপুরের বিরোধী পক্ষও মানছে তার উৎকর্ষের ঐতিহ্য। সেখানকার আন্দোলনের যদি বিশেষ একটা নৈতিক মাত্রা থাকে, তা এ জন্য যে আর যা-ই হোক, এখানে সর্বোচ্চ স্তরে লেখাপড়া হয়, বিদ্যাচর্চা-কেন্দ্রের প্রতি সমাজের চাহিদা যথেষ্ট পরিমাণে মেটানো হয়। এই অবস্থাটা কিন্তু আপনাআপনি সৃষ্ট হয়নি, কয়েক দশকের নিরন্তর চেষ্টায় গড়ে উঠেছে। যারা যাদবপুর আক্রমণ করছে, তারা এত জেনে করছে না; কিন্তু আমরা সতর্ক না থাকলে এখানেই তারা আসল সর্বনাশ করতে পারে।

বিদ্যার কল বাতাসে নড়ে না। তার জন্য অর্থ লাগে, লাগে লোকবল আর উপযুক্ত পরিবেশ। জেএনইউ-হায়দরাবাদ থেকে শুরু করে ইদানীং যে-যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর আঘাত নেমে এসেছে তার সবগুলি থেকে যাদবপুরের তফাত যে, সেগুলি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান, যাদবপুর নয়। কেন্দ্রীয় আর রাজ্য-পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয় ভারতীয় উচ্চশিক্ষার সুয়োরানি আর দুয়োরানি। কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান ভদ্র মাত্রায় অর্থসাহায্য পায়, অতএব তার লোকবল আর পরিকাঠামো সুনিশ্চিত: জেএনইউ আর হায়দরাবাদ তো দেশের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে দরাজ ভাবে অর্থপুষ্ট। রাজ্য-বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। হাতে-গোনা যে ক’টি প্রতিযোগিতায় টিকে আছে, এমনকী কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানকে টেক্কা দিচ্ছে তার মধ্যে বাংলায় আছে দুটি, যাদবপুর আর কলকাতা। অথচ এদের নিশ্চিত অর্থবরাদ্দ বলতে বেতন আর মামুলি দেখভালের সামান্য টাকা। বাকি প্রতিটি পয়সা জোগাড় করতে হয়— বলা চলে উপার্জন করতে হয়— সরকারি-বেসরকারি, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সূত্র থেকে: কাজ দেখিয়ে, কথাবার্তা চালিয়ে, যোগসূত্র স্থাপন করে, আদানপ্রদানের একটা ভিত গড়ে। এমনকী পঞ্চবার্ষিক যোজনা খাতে যে টাকা আসত তা-ও বরাদ্দ হত পরিদর্শনের পর, বিগত পাঁচ বছরের খতিয়ান দিয়ে। এ ভাবে পাঁচটা কাজ সফল ভাবে শেষ করলে তার ভিত্তিতে আরও দশটার পথ খুলে যায়, শেষ অবধি বাইরের সংস্থাগুলি হয়তো নিজে থেকেই যোগ স্থাপন করে। অনেক দিন হল যাদবপুর এই জায়গায় পৌঁছেছে। ইউপিই, টেকিপ, সিলফ, ই-কোয়াল, গ্লোবাল চেঞ্জ প্রভৃতি অতিবৃহৎ প্রকল্পগুলি বাদ দিলেও যে-কোনও সময়ে সেখানে ছোট-বড় গবেষণা প্রকল্প চলে অন্তত শতাধিক। এই প্রকল্প আর বিশেষ অনুদানই যাদবপুরের সমৃদ্ধির সূত্র। ক্যাম্পাসে যত ভবন আছে, তার অর্ধেকের বেশি এই ‘উপার্জিত’ টাকা থেকে গড়া হয়েছে। যা যন্ত্রপাতি সরঞ্জাম আছে, তার আন্দাজ নব্বই ভাগ এসেছে এই সূত্রে। গ্রন্থাগারের সাধারণ অনুদানের টাকা প্রয়োজনীয় পত্রপত্রিকা জোগাতেই নিঃশেষ হয়, বিগত কয় দশকে যত বই কেনা হয়েছে সবই বিশেষ অনুদান থেকে; এ ভাবেই তৈরি হয়েছে ডিজিটাল গ্রন্থাগার। একুশটি ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্কুল’ পুরোপুরি চলে প্রকল্পের টাকায়। ইউপিই-র সুবাদে গবেষক-ছাত্ররা একটা মাসোহারা পান— কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলি যা পায় বিনা প্রশ্নে, বিনা পরিশ্রমে। বিভিন্ন প্রকল্পের সুবাদে অন্তত পাঁচ-ছ’শো কর্মী নানা স্তরে অস্থায়ী চাকুরি করছেন, জিনিসপত্র বা পরিষেবা সরবরাহ করে সংসার চালাচ্ছেন আরও অনেকে।

এই পুরো ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং অর্থসংস্থার সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগের উপর: তাদের আস্থা অর্জন করে, সংলাপ ও সফর বিনিময় করে, তাল মিলিয়ে কাজ করে।

কোনও সজীব উচ্চশিক্ষা কেন্দ্রের এটাই আসল বাঁচার লড়াই। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে যে শিক্ষকরা ব্যবস্থাটা চালু রাখেন, তাঁরা তা করেন মুখ্যত খোলামেলা পরিবেশে স্বাধীন ভাবে কাজ করার আনন্দে, আর কাজের রসদ জোগাড়ের সুযোগ পেয়ে। যাদবপুরের অভিজ্ঞতা বলে, এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে অদ্ভুত ভাবে সাড়া দেন সামান্য বেতনের অস্থায়ী প্রকল্পকর্মীর দল, কাজের স্ফূর্তিতে প্রাণের টানেই ক্যাম্পাস আঁকড়ে পড়ে থাকেন তাঁরা।

উলটোটাও সমান সত্যি, এবং সে জন্যই ব্যাপারটা আজ প্রবল ভাবে প্রাসঙ্গিক। এই কর্মকাণ্ডে অল্প দিন ছেদ ঘটলেও ক্ষতি হয়, বেশি দিন চললে সম্যক বিপর্যয় ঘটে (যেমন ঘটেছিল ২০১৪ সালে)। উদ্যোগীদের যদি মনোবল ভেঙে যায়, বাইরের উপদ্রবে মন বিক্ষিপ্ত হয়, অস্তিত্বের লড়াই করতে করতেই দম ফুরিয়ে যায়, কাজের লড়াইয়ে ব্যাঘাত ঘটতে বাধ্য। কর্তৃপক্ষ ও প্রবীণ শিক্ষকদের যদি বিপুল সময় ও শক্তি খরচ হয় উপদ্রবের মোকাবিলা করতে (মানসিক চাপের কথা ছেড়েই দিলাম), লেখাপড়া-গবেষণার পরিকল্পনা কখন হবে, কখন হবে বাইরের হাজারো সংস্থার সঙ্গে সংলাপ বোঝাপড়া? এই দুই সপ্তাহেই বেশ কিছু মিটিং ও সাক্ষাৎ বাতিল করতে হয়েছে, পিছিয়ে গেছে কিছু সিদ্ধান্ত। আরও বড় কথা, এমন অস্থিরতার ফলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চোখে একটা অনাস্থার সৃষ্টি হয়, অর্থসংস্থাগুলি পিছিয়ে আসে। সারা দেশ বা সারা বিশ্ব থেকে যারা সহযোগী বাছতে পারে, কোনও জায়গা সম্বন্ধে মনে সন্দেহ ঢুকলে সেখানে তারা যাবে কেন?

গত কয় বছরে রাজ্য সরকারের বিবিধ দৌরাত্ম্যে এমনিতেই যাদবপুরের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে; ২০১৪’তে তো রীতিমত অস্তিত্বের সংকট দেখা দিয়েছিল। বহু দিন বাদে যখন স্থিতাবস্থা ফিরে এসেছে, জমে-ওঠা নানা ঘাটতি মেটাবার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তখন কেন্দ্রীয় শাসক দলের আশীর্বাদে দেশের অন্যান্য শীর্ষস্তরের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যাদবপু্রেও সারস্বত পরিবেশ ধ্বংসের অভিযান শুরু হল। তার কুশীলবেরা অতশত ভেবেচিন্তে করছেন না হয়তো; লেখাপড়া গবেষণা তাঁদের হিসাবে বড় স্থান পায় কি না সন্দেহ। তবে নিছক হানাহানি গালিগালাজের সঙ্গে লেখাপড়া পণ্ডের এই উপরি পাওনা জুটলে তাঁরা অবশ্যই আত্মপ্রসাদ লাভ করবেন। আর কয় বছর বাদে তৎকালীন রাজ্যপাল সত্যিই বিজয়গর্বে বলতে পারবেন, ‘যাদবপুরে লেখাপড়া গোল্লায় গেছে।’

এমন অবস্থায় এগোলেও বিপদ পিছোলেও বিপদ। আগে যা বলেছি: প্রতিরোধ না করলেই নয়, কিন্তু অভ্যস্ত পথে প্রতিরোধ করলে ধ্বংসকারীদের উদ্দেশ্যই সাধিত হবে। সমাধান সহজ নয়; কিন্তু সমাধান খোঁজার প্রথম ধাপ অবশ্যই হতে হবে আসল সমস্যাটা পুরোপুরি বোঝা।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে এমেরিটাস অধ্যাপক

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement