Teacher recruitment protest

ভোটের আগে কলকাতায় শিক্ষক পদপ্রার্থীদের বিক্ষোভ, ফের পথে নেমে চাকরির দাবি

২০২২-এ রাজ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১৭৬৫ টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সে বার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন এনআইওএস থেকে ডিএলএড পাস করা প্রার্থীরা। কিন্তু তাঁদের প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩৩
Share:

নিজস্ব চিত্র।

ভোটের আগে ফের আন্দোলনমুখী শিক্ষাক্ষেত্র। সোমবার, সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনে কলকাতার দুই প্রান্তে বিক্ষোবে সামিল হলেন প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। করুণাময়ী ও ধর্মতলা— দু’জায়গায় অবস্থান বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রার্থীরা।

Advertisement

২০২২-এ রাজ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১৭৬৫ টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সে বার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন এনআইওএস থেকে ডিএলএড পাস করা প্রার্থীরা। কিন্তু তাঁদের প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়। অভিযোগ, এ ক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ডের একটি মামলার রায়ের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে তাঁদের বঞ্চিত করা হয়।

পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে ১২৩৩ জন এনআইওএস প্রার্থী জয়ী হন। ২০২৫ সালে ৪ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় তিন মাসের মধ্যে তাঁদের নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু রায়ের ৯ মাস পরও নিয়োগ হয়নি বলে অভিযোগ। এরই প্রতিবাদে, সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের হয়ে বিকাশ ভবন অভিযান করেন প্রায় ২০০০ শিক্ষক-শিক্ষিকা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল চাকরি না দিয়ে অহেতুক তাদের হেনস্থা করছেন। অবিলম্বে নিয়োগের দাবি তোলেন তাঁরা।

Advertisement

অন্য দিকে কলকাতা উচ্চ প্রাথমিকে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যার থেকে বিধানসভা অভিযানের ডাক দেন। এই মিছিল ধর্মতলায় পৌঁছতেই আটকে দেয় পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের দাবি, ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হলেও তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ১২০০-র বেশি শূন্যপদে এখন‌ও নিয়োগ বাকি রয়েছে। আন্দোলনকারী নেতা প্রণব গুহ বলেন, “আজ প্রায় ১৩৩৯ দিন আমরা রাস্তায় আন্দোলন চালাচ্ছি। সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিয়োগ দিচ্ছে না। অথচ, গত দশ বছর ধরে বহু শূন্যপদ রয়েছে। আমরা অবিলম্বে স্বচ্ছ নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।” পুলিশ বাধা দিলে বিক্ষোভকারীরা ধর্মতলা মোড়ে বিক্ষোভ দেখান। করুণাময়ী ও ধর্মতলার মোড়ের এই বিক্ষোভ ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক যানজট।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement