— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্জ়ামিনেশন (জেইই) মেন পাশ করার পর ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, আর্কিটেকচার এবং প্ল্যানিং বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ থাকে। দেশের বিভিন্ন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি), এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইআইটি) প্রতিষ্ঠানগুলিতে ওই বিষয়গুলি পড়ানো হয়ে থাকে।
তবে ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে মূলত সিভিল, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার সায়েন্স, এরোস্পেস, মেটালার্জিক্যাল-এর মতো বিষয় নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনিক্যাল শাখায় পড়াশোনার সুযোগ থাকে। সেখানে ভর্তি হওয়ার জন্য সর্বভারতীয় স্তরের প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক।
নিয়ম অনুযায়ী, এনআইটি এবং আইআইআইটি প্রতিষ্ঠানগুলিতে জেইই মেন স্কোরের ভিত্তিতেই বিটেক বা বিই কোর্সে জয়েন্ট সিট অ্যালোকেশন অথরিটি (জোসা) কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হয়ে থাকে। কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার আগে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পড়ুয়ারা নিজেদের পছন্দের বিষয় বেছে নিতে পারেন। এর পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আসনবিন্যাস, র্যাঙ্কের ভিত্তিতে পড়ুয়াদের ভর্তি নেওয়া হয়ে থাকে।
এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে জেইই মেন-এ স্কোর থাকলে স্নাতক স্তরের কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লি টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি, অসম বিশ্ববিদ্যালয়, নেতাজি সুভাষ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি-র মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। বেশ কিছু বেসরকারি কলেজেও জেইই মেন-এর স্কোরের সাহায্যে ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা টেকনিক্যাল শাখার বিষয় নিয়ে স্নাতক স্তরে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হয়।
তবে, আইআইটি প্রতিষ্ঠান থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনোলজি শাখার অধীনে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করার জন্য জেইই মেন পাশ করা যথেষ্ট নয়। তাঁদের জেইই অ্যাডভান্সড-এ পাশ করতেই হবে।