Govt Exam Success Story

১৯টি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ! ২৩ বছর সফল তরুণী শেষ পর্যন্ত বেছে নিলেন কোন কাজ?

ছত্তীসগঢ়ের রায়পুরের টিলডা নেওড়া শহরের বাসিন্দা চারু পান্ডে ২৩ বছর বয়সেই স্টাফ সিলেকশন কমিশন, রেল, ব্যাঙ্ক এবং পুলিশ সার্ভিসের মোট ১৯টি নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১৬:২৪
Share:

চারু পান্ডে একের পর এক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তাক লাগিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত।

কোনটা ছেড়ে কোনটা করবেন? চাকরি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে বুঝি এমনই দ্বন্দ্বে ভুগেছিলেন ২৩ বছরের তরুণী। কারণ, কঠিন কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ১৯টি বার সফল হয়েছেন তিনি।

Advertisement

ছত্তীসগঢ়ের রায়পুরের টিলডা নেওড়া শহরের চারু পান্ডে, সরকারি চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তাক লাগিয়েছেন। হেমচন্দ যাদব কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক হয়েছেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি, সরকারি বিভাগে চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিলেন। এর পর একে একে স্টাফ সিলেকশন কমিশন (এসএসসি) আয়োজিত কম্বাইন্ড হায়ার সেকেন্ডারি লেভেল, কম্বাইন্ড গ্র্যাজুয়েট লেভেল, মাল্টি টাস্কিং স্টাফ, কনস্টেবল (জেনারেল ডিউটি) এবং সেন্ট্রাল পুলিশ অর্গানাইজ়েশন পরীক্ষা দিয়েছেন। উত্তীর্ণও হয়েছেন। শুধু প্রশাসনিক কিংবা পুলিশ বিভাগের জন্যই নয়, ব্যাঙ্কিং এবং অন্য ক্ষেত্রেও সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করেছিলেন চারু। সফল হয়েছে অনেকগুলি পরীক্ষায়। তবে, নিজের পছন্দের চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত থামেননি চারু।

যে সব পরীক্ষায় সফল হয়েছেন চারু—

Advertisement

১। ইনস্টিটিউট অফ ব্যাঙ্কিং পার্সোনেল সিলেকশন, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রবেশিনারি অফিসার এবং ক্লার্ক পদে নিয়োগের পরীক্ষা।

২। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড-এর নন টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটাগরি (এনটিপিসি) এবং গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ-পরীক্ষা।

৩। দিল্লি পুলিশ, ছত্তীসগঢ় পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর এবং ট্রান্সপোর্ট সাব ইনস্পেক্টর বিভাগে নিয়োগের পরীক্ষা।

৪। ছত্তীসগঢ় ন্যাশনাল হেলথ মিশন-এর নিয়োগ-পরীক্ষা।

উল্লিখিত সব পরীক্ষায় চারু পাশ করেছেন। তবে, পছন্দের পদে কাজ না পাওয়া পর্যন্ত নিয়মমাফিক পড়াশোনা, ঘড়ি ধরে অভ্যাস করা বন্ধ করেননি একদিনও। সংবাদমাধ্যমকে চারু জানিয়েছেন, সরকারি চাকরির জন্য বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি, মক টেস্ট দিতেন তিনি। পাশাপাশি, নিজের লেখা উত্তর খতিয়ে দেখে কোথায় কতটা প্রস্তুতির প্রয়োজন, তা যাচাই করে নিতেন। পরীক্ষা দিয়ে আসার পরও কী লিখেছেন, তা নিয়ে আত্মসমালোচনা করতেন।

চারুর কথায়, “নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকতে পারলে সব সম্ভব। সময় মেপে পড়াশোনা এবং নিয়মিত অভ্যাস করতে পারলেই হাতের মুঠোয় সাফল্য পাওয়া সহজ।” চারু তাঁর অধ্যাবসায় এবং নিষ্ঠার জন্য স্বাধীনতা দিবসের দিন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র হাত থেকে স্বর্ণপদক পেতে চলেছেন। বর্তমানে কনট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল-এর (ক্যাগ) চেন্নাইয়ের দফতরে অ্যাসিস্ট্যান্ট অডিট অফিসার পদে চাকরি করছেন ওই তরুণী।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement