ছবি: সংগৃহীত।
দ্বাদশের উত্তরপত্রে মূল্যায়নে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে কোএম্পট এডুটেক সংস্থার বিরুদ্ধে। ওই সংস্থার বিরুদ্ধে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের বদলে সাধারণ মানের যন্ত্র ব্যবহার করে মূল্যায়নের কাজ করার অভিযোগও রয়েছে। ওই সংস্থার অতীতের কার্যকলাপ নিয়ে রয়েছে একাধিক প্রশ্ন। বরাত দেওয়ার আগে সিবিএসই কি সংস্থার ইতিহাস খতিয়ে দেখেছিল? এ প্রশ্নের জবাব চাইল লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি।
মূল্যায়ন পদ্ধতিতে গোলমাল, যথাযথ প্রযুক্তি ব্যবহার না করার মতো একাধিক গাফিলতির নেপথ্যে হায়দরাবাদের বিতর্কিত সংস্থার হাত রয়েছে বলে নানা মহলে অভিযোগ ওঠে। সিবিএসই অবশ্য এক্স হ্যান্ডলে জানায়, ওই সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছিল নিয়ম মেনেই।
যদিও সমাজমাধ্যমেই এক দ্বাদশ পরীক্ষার্থী বরাতে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। কিছু তথ্যও প্রকাশ করেন নিজের বক্তব্যের সপক্ষে। ওই পড়ুয়াকে লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি-র বৈঠকে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানেও তিনি অভিযোগের ব্যাখ্যা দেন।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওই সব তথ্য খতিয়ে দেখার পরই সিবিএসই-র আধিকারিকদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। কমিটি জানতে চায়, যে সংস্থার কাজ নিয়ে অতীতে এত সমালোচনা হয়েছে, কোন যুক্তিতে সেই সংস্থাকে সিবিএসই বরাত দিয়েছিল? পাশাপাশি, কেন কালো তালিকাভুক্ত সংক্রান্ত ধারা চুক্তি থেকে বাদ দিয়েছিল বোর্ড, সে প্রশ্নের উত্তরও দিতে হবে আধিকারিকদের।
সূত্রের খবর, অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পোর্টাল চালু করার আগে একাধিক সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন শিক্ষকেরা। অভিযোগ, ওই পোর্টালে সকলে ঠিক মত মূল্যায়ন সম্পূর্ণ করতে পারছেন কি না, তা খতিয়ে না দেখেই সরাসরি কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সমস্যার কথা জানা সত্ত্বেও তা শিক্ষামন্ত্রককে জানানো হয়েছিল? কেন তড়িঘড়ি পোর্টাল চালু করা হয়েছিল? তা-ও খতিয়ে দেখছে লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি। সব তথ্য খতিয়ে দেখার পর কী পদক্ষেপ করা হবে, তা জানাবেন কমিটির সদস্যেরা।