CBSE OSM Controversy

ওএসএম-এ সমস্যা, প্রথমেই জানান পরীক্ষকেরা, কর্ণপাত করেনি সিবিএসই? উঠছে নয়া অভিযোগ

অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতি নিয়ে অন্তত এক বছর পরীক্ষা নিরীক্ষা করা প্রয়োজন ছিল, এমনই অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ১৪:০৭
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

বিশেষ পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করতে চেয়েছিল সিবিএসি। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় ছিল বিস্তর গোলমাল, এ বার অভিযোগ করছেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরীক্ষকদের অনেকেই। তাঁদের দাবি, অন্তত এক বছর পর ওই পদ্ধতি চালু করা উচিত ছিল। এমনকি এই প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল সিবিএসই-কে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত করেননি।

Advertisement

জানা গিয়েছে, চলতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক মাস আগে ডিজিটাল মূল্যায়নের ‘ট্রায়াল’ হয়েছিল। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট পদ্ধতিতে মূল্যায়নের জন্য বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষিতদের প্রয়োজন। অথচ তাঁদের সেই সময়টুকুই দেওয়া হয়নি। এ ছাড়াও ত্রুটিমুক্ত মূল্যায়নের জন্য লাগাতার পরীক্ষা নিরীক্ষাও করতে হত। বারবার পোর্টালে যান্ত্রিক গোলমাল হওয়া সত্ত্বেও তা দ্রুত সংশোধন করা হয়নি।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে দিল্লিতে ওএসএম-এর পাইলট প্রজেক্ট-এ কাজ শুরু হয়। দিল্লির পাঁচটি সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলের প্রতিনিধিরা সেখানে প্রশিক্ষণ নেন। যোগ দিয়েছিলেন স্কুলের অধ্যক্ষ, পরীক্ষক, বিষয় বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের নতুন পোর্টাল মারফত কী ভাবে খাতা দেখতে হবে, তা হাতেকলমে শেখানো হয়।

Advertisement

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই প্রশিক্ষণ চলাকালীনই বহু শিক্ষক অভিযোগ করেছিলেন নম্বর দেওয়া, তা যোগ করার মতো একাধিক ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়াও তাঁরা জানিয়েছিলেন, খাতার একটি অংশের নম্বরকেই পূর্ণমান হিসাবে দেখা যাচ্ছিল। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অর্ধেক নম্বরও দিতে পারছিলেন না তাঁরা। বারবার ব্যাহত হচ্ছিল কাজ, কারণ পোর্টাল থমকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, একেবারে প্রথম দিন থেকেই সমস্যা হলেও তা সমাধান করা বা খতিয়ে দেখা হয়নি।

ঘটনার জেরে ক্ষতির মুখে পড়েন দ্বাদশের পড়ুয়ারা। কেউ সঠিক উত্তর লিখেও নম্বর পাননি, কারও কাছে সঠিক উত্তরপত্রই এসে পৌঁছায়নি। বিতর্কের মুখে যান্ত্রিক গোলযোগ, সাইবার হানার দায় স্বীকার করে সিবিএসই। বদলি করা হয় চেয়ারম্যান এবং সচিবকেও। ওএসএম পোর্টালের প্রযুক্তি এবং পরিকাঠামোগত দায়িত্বপ্রাপ্ত বিতর্কিত সংস্থার বিরুদ্ধেও আর্থিক জরিমানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।

যদিও এই পদক্ষেপেও সংশয় প্রকাশ করছে শিক্ষামহলের একাংশ। প্রশ্ন উঠছে, প্রাথমিক পর্যায়েই যেখানে পোর্টাল মারফত মূল্যায়নে সমস্যার অভিযোগ করা হয়েছিল, সেখানে কেন কোনও পরীক্ষা ছাড়াই নতুন পদ্ধতি চালু করা হল? কেন সমস্যা খতিয়ে দেখল না বোর্ড?

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement