election duty 2026

প্রশিক্ষণে অনুপস্থিত! বিএলও-দেরও কারণ দর্শানোর নোটিস দিল জেলা প্রশাসন, ধন্দে শিক্ষকেরা

নির্বাচন কমিশন তরফেই জানানো হয়েছিল বিএলও হিসাবে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের ভোটকর্মী হিসাবে নিয়োগ করা যাবে না। বরং তাঁরা ভ্যাব (ভোটার অ্যাসিসট্যান্ট বুথ)-এর দায়িত্বে থাকবেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:০২
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

গত নভেম্বর থেকে পালন করছেন ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার দায়িত্ব। আসন্ন নির্বাচনে তাই ভোটকর্মী হিসাবে আর কাজ করার কথা নয় তাঁদের। অথচ, নির্বাচনী কাজের প্রশিক্ষণে যোগ না দেওয়ায় তাঁদেরই ধরানো হয়েছে কারণ দর্শানোর নোটিস। স্কুল শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ আর জেলাপ্রশাসনের বক্তব্যে থেকে যাচ্ছে গরমিল।

Advertisement

অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন তরফেই জানানো হয়েছিল বিএলও হিসাবে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের ভোটকর্মী হিসাবে নিয়োগ করা যাবে না। বরং তাঁরা ভ্যাব (ভোটার অ্যাসিসট্যান্ট বুথ)-এর দায়িত্বে থাকবেন। কিন্তু বিভিন্ন স্কুলে জেলাপ্রশাসনের তরফে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, সব কর্মীরা যেন প্রশিক্ষণে যোগ দেন, তা প্রধানশিক্ষককে নিশ্চিত করতে হবে।

বিএলও এবং ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “ভোটকর্মী হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের তালিকায় রয়ে গিয়েছেন বেশ কিছু বিএলও-ও। প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসারের প্রশিক্ষণে তো তাঁদের যোগ দেওয়ার কথাই নয়। অথচ, অনুপস্থিতির কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।” তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ উড়িয়ে জেলা প্রশাসন কী ভাবে এমন চিঠি পাঠাতে পারে, তা স্পষ্ট নয়। তবে এ জন্য শিক্ষকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। এই নির্দেশ পরস্পর বিরোধী বলে তাঁর দাবি।

Advertisement

সংগঠনের তরফে এই চিঠির বয়ান এবং কারণ দর্শানোর নির্দেশের বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে দরবার করার কথা ভাবা হচ্ছে।

তবে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে, এতে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। যাঁরা বিএলও হিসেবে কাজ করেছেন তাঁরা চিঠিতে সেই বিষয়ের উল্লেখ করে দেবেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement