ছবি: এআই।
হ্যাকিং এবং সাইবার অপরাধ— একে অপরের দোসর। সাইবার অপরাধীদের শায়েস্তা করতেও তাই হ্যাকিং জানতে হয়। অর্থাৎ, কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা। সেই কৌশলের নাম ‘এথিক্যাল হ্যাকিং’। দেশ এবং নাগরিকের স্বার্থে আইন রক্ষকেরা হ্যাকিংয়ের সাহায্য নিয়ে থাকেন। বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে তথ্য চুরি ও সাইবার হানা রুখতেই এমন বিশেষজ্ঞদের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
এই বিষয় নিয়ে কারা পড়তে পারেন?
কী কী বিষয় শেখার সুযোগ?
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের রকম ফের, ডেটাবেসের বিস্তারিত কৌশল, বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের কর্মকৌশল-এর সঙ্গে নেটওয়ার্ক পেনিট্রেশন টেস্টিং, ম্যালঅয়্যার অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি অ্যানালিসিস, ক্রিপ্টোগ্রাফি-র খুঁটিনাটি শেখার সুযোগ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে কাজের জন্য ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যাক্ট, হ্যাকিং-এর আইন সংক্রান্ত বিষয় জানাও আবশ্যক।
শংসাপত্র থাকতেই হবে!
ডিগ্রি অর্জনের পর কাজ শুরু করতে চাইলে সরকারি অনুমোদন থাকা প্রয়োজন। এ জন্য সার্টিফায়েড এথিক্যাল হ্যাকার, কম্পটিআইএ সিকিউরিটি প্লাস, ইজেপিটি-র মতো শংসাপত্র অর্জন করতে হবে। দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারলে অ্যাডভান্সড লেভেল শংসাপত্রও পাওয়া যায়।
কোথায় কেমন কাজ?
বেতন কাঠামো:
শুরুতে প্রতি বছর ৪ থেকে ৮ লক্ষ টাকা বেতনক্রমে চাকরি মেলে। দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বছরে ২৫ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন কাঠামো হতে পারে।
ইন্টারনেটের যুগে সাইবার অপরাধ রুখতে এথিক্যাল হ্যাকিং-কে আইনত স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সমস্ত দেশেই। ঘরে বসেও যথাযথ প্রযুক্তির মাধ্যমে এই কাজ করা যায় বলে, বিশেষজ্ঞদের চাহিদাও বাড়ছে। তবে, এ ক্ষেত্রে কাজ আইন মেনে না করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়।