প্রতীকী ছবি।
২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে মাধ্যমিক। ইতিমধ্যে দু’টি পরীক্ষা হয়েও গিয়েছে। এর পর ইতিহাস, তারপরই ভূগোল। ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার হবে ভূগোল পরীক্ষা। মাথা ঠাণ্ডা রেখে কী ভাবে প্রস্তুতি নিলে, ভূগোলের ম্যাপ পয়েন্টিং-এর ক্ষেত্রে কী কী বিষয়ে নজরে রাখলে সম্পূর্ণ নম্বর পাওয়া যেতে পারে, তারই পরামর্শ দিচ্ছেন যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের ভূগোল শিক্ষিকা সুনীপা সরকার।
১) ম্যাপ পয়েন্টিং সঠিক ভাবে করতে পারলে পুরো নম্বর পাওয়া যায়। এটা অনেকটা শেষ দৌড়ে রুপোর পদক পাবে না সোনার সেটার মতো!
২) দিনে ৩০ মিনিট হলেও ম্যাপ পয়েন্টিং অনুশীলন করা প্রয়োজন।
৩) ম্যাপ পয়েন্টিং করার সময় অবশ্যই পেনসিল ব্যবহার করতে হবে। কোনও রকম পেনের কালি যেন ম্যাপ পয়েন্টিং-এ না থাকে।
৪) ম্যাপের মধ্যে যে হেতু বেশি জায়গা থাকে না, তাই প্রশ্নপত্রের নম্বর অনুযায়ী জায়গার নাম লিখলে ভাল হয়। তা হলে অনেকটাই পরিষ্কার দেখতে লাগে।
ম্যাপ পয়েন্টিং ছাড়াও প্রশ্নপত্রের ধরন অনুযায়ী লিখলে সম্পূর্ণ নম্বর পাওয়ার সুযোগ থাকে। অবজেক্টিভ প্রশ্নের জন্য যথা সম্ভব প্র্যাকটিস বা অনুশীলন প্রয়োজন। বিগত ১০ বছরের প্রশ্ন এবং তার সঙ্গে পর্ষদ প্রকাশিত টেস্ট পেপার ভাল করে চর্চা করা প্রয়োজন। ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নের উত্তর পয়েন্ট করে লিখতে হবে এবং উপযুক্ত স্থানে ডায়াগ্রাম বা ছবি আঁকা জরুরি। ম্যাপ পয়েন্টিংয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে উপযুক্ত প্রতীক চিহ্নের মাধ্যমে পরিষ্কার ভাবে জায়গাগুলি দেখাতে হবে।
সমুদ্রস্রোত, তিনটি বৃষ্টিপাত, বায়ুর উষ্ণতার তারতম্যের কারণ, নদী ও বায়ুর কাজ- এই গুলো খুব ভাল করে দেখে নেওয়া প্রয়োজন। এই বিষয়গুলির মধ্যে থেকে নম্বর আসার সম্ভবনা রয়েছে। তবে সময় নির্ধারণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে ছোট প্রশ্ন লিখে নিয়ে ম্যাপ পয়েন্টিং করে নেওয়া ভাল। সে ক্ষেত্রে ম্যাপ পয়েন্টিং-এর জন্য ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি না রাখাই ভাল। এর পর ২ ও ৩ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে শেষে ৫ নম্বরের প্রশ্ন লেখা ভাল। সব শেষে অবশ্যই ১০ মিনিট পুনরায় খাতা দেখে নেওয়া খুবই দরকার।