— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
শস্য উৎপাদন থেকে শুরু করে রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়ের উপায় খুঁজে বার করা, সব কিছুর জন্য বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বায়োটেকনোলজি-র মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি পড়ানো হয়ে থাকে। এই বিষয়টির মাধ্যমে পরিবেশ, স্বাস্থ্য, কৃষি, খাদ্য উৎপাদন সংক্রান্ত কাজ এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে কোন কোন প্রযুক্তির ব্যবহার প্রযোজ্য এবং প্রাসঙ্গিক, তা নিয়েও চর্চা চলছে। এই বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের বিশেষ প্রবেশিকায় পাশ করতে হবে। সেই পরীক্ষার সূচি, আবেদনের শর্ত জানিয়েছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)।
১৭ মে গ্র্যাজুয়েশন অ্যাপটিটিউড টেস্ট ইন বায়োটেকনোলজি (গ্যাট-বি) এবং বায়োটেকনোলজি এলিজিবিলিটি টেস্ট (বেট) নেওয়া হবে। এনটিএ আয়োজিত উল্লিখিত পরীক্ষার জন্য আবেদনের পোর্টালও চালু করা হয়েছে। ওই পোর্টাল মারফত আগ্রহীরা ৯ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন জানাতে পারবেন।
যাঁরা স্নাতকে বায়োটেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন, তাঁরা এই পরীক্ষাগুলি দিতে পারবেন। পরীক্ষা দিতে আগ্রহীদের ১,৩০০ টাকা আবেদনমূল্য হিসাবে জমা দিতে হবে। গ্যাট-বি পরীক্ষাটি সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা এবং বেট পরীক্ষাটি বিকেল ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। প্রতিটি পরীক্ষার জন্য তিন ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। কম্পিউটার বেসড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে ইংরেজি মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকছে।
গ্যাট-বি উত্তীর্ণেরা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, আইআইটি বোম্বে, আইআইটি মান্ডি থেকে স্নাতকোত্তর স্তরে ওই বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন। বেট-এ উত্তীর্ণেরা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পিএইচডি করার সুযোগ পান। এ ছাড়াও তাঁরা জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপও অর্জন করতে পারেন। উল্লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণেরা প্রতি মাসে আলাদা করে ফেলোশিপ বাবদ নির্দিষ্ট অঙ্কের ভাতাও পেয়ে থাকেন।