নিজস্ব চিত্র।
টেট উত্তীর্ণ না হলে যুক্ত থাকা যাবে না শিক্ষকতার কাজে, নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্য। বিষয়টিতে হস্তক্ষেপের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকেও। তার পরই রাজ্যের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্র। এরই মধ্যে ২০১২ টেট উত্তীর্ণদের নামের তালিকা প্রকাশ করল রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
জানা গিয়েছে, ২০১২ টেট উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা এই মুহূর্তে কর্মরত। অথচ তাঁদের কাছে কোন শংসাপত্র নেই। পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, “সে সময় ১০০ নম্বরের টেট আয়োজিত হত। কিন্তু কোনও শংসাপত্র দেওয়া হত না। ২০১২ টেট উত্তীর্ণ অনেকেই এখন প্রাথমিক শিক্ষক। শংসাপত্র না থাকায় জটিলতা বাড়তে পারে। তাই তাঁদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হল।”
হিসাব বলছে, ২০১২ টেট পরীক্ষার্থী ছিলেন প্রায় ১৭ লক্ষ। উত্তীর্ণ হয়েছিলেন প্রায় ১৯ হাজার। ৩৭ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ হয়েছিল তাঁদের। এ দিকে, শিক্ষার অধিকার আইন ২০১০ কার্যকর হওয়ার পরেও রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে কারা টেট উত্তীর্ণ নন, তা জানতে চেয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। ২০১২ টেট উত্তীর্ণ কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তালিকা প্রকাশ না করলে তাঁরা টেট পাশ না করা শিক্ষকদের তালিকায় পড়ে যেতেন। তাই তড়িঘড়ি তালিকা প্রকাশ করা হল বলে শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর।
গত বছর ৩১ ডিসেম্বর রাজ্যের কাছ থেকে তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক। ১৬ জানুয়ারির মধ্যে তথ্য পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু সে সময় পেরিয়ে গিয়েছে। রাজ্য শিক্ষা দফতর ১৪ জানুয়ারি রাতে উৎসশ্রী পোর্টালের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নথি চাইতে শুরু করেছে। ১৮ জানুয়ারির মধ্যে সেই নথি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পূরণ করে দিতে হবে।