West Bengal Board Primary Education

প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু পর্ষদের

গত ৭ জানুয়ারি পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রাথমিকে ১৯৮২ জনের নিয়োগের কথা জানায়। সেখানে তারা বলে ২০২২ সালের ১১৭৬৫টি শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। তখন হাই কোর্টের নির্দেশে ২০২০-২২ সালের ডিএলএড পড়ুয়ারা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫১
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

প্রাথমিকে ১৯৮২ জন চাকরিপ্রার্থীর নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু করল বিভিন্ন জেলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদ আগেই জানিয়েছিল, ১৯৮২ জনের তথ্য যাচাই করে তাঁদের কাউন্সেলিংয়ের পরে নিয়োগপত্র দেবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ইতিমধ্যে হুগলি জেলায় তথ্য যাচাই করে কাউন্সেলিংয়ের পরে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি জেলাগুলির জন‍্য পর্ষদ তথ্য যাচাই ও কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

গত ৭ জানুয়ারি পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রাথমিকে ১৯৮২ জনের নিয়োগের কথা জানায়। সেখানে তারা বলে ২০২২ সালের ১১৭৬৫টি শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। তখন হাই কোর্টের নির্দেশে ২০২০-২২ সালের ডিএলএড পড়ুয়ারা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময়েডিএলএড ডিগ্রি না থাকায় ওই পড়ুয়াদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। ওই পড়ুয়ারা তখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করেন। গত ৪ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগেরনির্দেশ দেয়।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল বলেন, ‘‘পূর্ব বর্ধমানে ২৯ জানুয়ারি, বাঁকুড়ায় ২৭ জানুয়ারি কাউন্সেলিং হবে। এ ভাবে বাকি জেলায় এক-এক করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ তাদের প্রার্থীদের তথ্য যাচাই করে কাউন্সেলিং করে নিয়োগপত্র দেবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে ১১৮২ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পাচ্ছে।’’

এ দিকে, ১১৮২ জনের নিয়োগপত্র দেওয়ার পাশাপাশি ১৩৪২১টি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালাচ্ছে পর্ষদ। ইতিমধ্যে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রার্থীদের ইন্টারভিউ সম্পন্ন হয়েছে। বাংলা মাধ্যম স্কুলের মধ্যে কলকাতা জেলার প্রার্থীদের ইন্টারভিউ হবে ২৭ এবং ২৮ জানুয়ারি, ঝাড়গ্রামের হবে ২৮ এবং ২৯ জানুয়ারি এবং জলপাইগুড়ির জেলার প্রার্থীদের হবে ২৯ এবং ৩০ জানুয়ারি। সব ইন্টারভিউই হবে প্রাথমিক জেলা পর্ষদের সল্টলেকের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র ভবনে। পর্ষদ সূত্রের খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে প্রায় সব জেলারই ইন্টারভিউ সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার পরে মেধা তালিকা বেরোবে। চাকরিপ্রার্থীদের দাবি বিধানসভা ভোটের আগে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে নিয়োগপত্র দিতে হবে। এক চাকরিপ্রার্থী বিদেশ গাজি বলেন, ‘‘আমরা টেট পাশ করে বসে ছিলাম প্রায় তিন বছর। বহু প্রতীক্ষার পরে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমাদের দাবি, বিধানসভা ভোটের আগে যোগ্যরা নিয়োগপত্রপেয়ে স্কুলে যাক। এই নিয়ে পর্ষদকে চিঠিও দিয়েছি।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন