Calcutta university

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ পালন, সেনেট হলের সামনে বিক্রি আরএসএস-এর বই

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারভাঙা ভবনে সেনেট হলের বাইরে এমন দৃশ্য এর আগে কবে দেখেছেন, মনে করতে পারছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী আধিকারিকেরা। শনিবার শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ উদ্‌যাপনের অঙ্গ হিসাবে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ১৯:২৬
Share:

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারভাঙা ভবনের সেনেট কক্ষের বাইরে। নিজস্ব চিত্র।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট হলের বাইরে বিক্রি হচ্ছে বই। অধিকাংশই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী, আদর্শ ও কর্ম সংক্রান্ত। তবে গান্ধী, জিন্নাহ, নেতাজি সংক্রান্ত কিছু বইও রয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ উপলক্ষে বিশেষ অনুমতি পেয়েছে একটি প্রকাশনা সংস্থা।

Advertisement

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারভাঙা ভবনে সেনেট হলের বাইরে এমন দৃশ্য এর আগে কবে দেখেছেন, মনে করতে পারছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী আধিকারিকেরা। শনিবার শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ উদ্‌যাপনের অঙ্গ হিসাবে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সে সময় সেনেট হলের বাইরে বিক্রি হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের, দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জীবনী। সঙ্গে ছিল ‘আরএসএস কী এবং কেন?’ শীর্ষক বই। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে, খোদ সেনেট হলের বাইরে এ ভাবে বই বিক্রির অনুমতি এর আগে কোনও সংস্থা পায়নি বলেই জানাচ্ছেন কর্মীদের একাংশ।

নিজস্ব চিত্র।

প্রকাশনা সংস্থার তরফে হিমাংশু মাইতি জানান, এর আগে তাঁরা কোনও দিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বই বিক্রির অনুমতি পাননি। এ বার পাওয়া গিয়েছে। হিমাংশু নিজে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের কলকাতা নগর সম্পর্ক প্রমুখ। তিনি বলেন, “মূলত আরএসএস এবং শ্যামাপ্রসাদ সম্পর্কিত বই-ই রাখা হয়েছে। সব থেকে বেশি চাহিদা শ্যামাপ্রসাদের জীবনী সম্পর্কিত বইয়ের।”

Advertisement

তবে শুধু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েই নয়। ৯ মে রাজ্যে সরকার গঠনের পর থেকেই তাঁদের প্রকাশনী সংস্থায় বে়ড়েছে বইয়ের বিক্রি। হিসাব বলছে ৯ মের পর থেকে প্রায় ১২ হাজার ‘প্রার্থনা’ বই বিক্রি হয়েছে। হিমাংশুর দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বই বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার। বিক্রির তালিকায় রয়েছে ১৯৪৬-এর দাঙ্গা বিষয়ক বইও।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement