যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।
পড়ুয়াদের দাবি মেনে শেষ পর্যন্ত প্লেসমেন্ট সেল ভেঙে দিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই কমিটিতে শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবেন কি না , তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল দ্বন্দ্ব।
কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিলেন, প্লেসমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও সচল করার জন্য কয়েক জন শিক্ষককে নিয়ে নতুন করে সেল গঠন করা হয়। এনআইটি–র মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই রকম সেলে শিক্ষকরা রয়েছেন, সে দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়।
কিন্তু পড়ুয়ারা এর বিরোধিতা শুরু করেন। তাঁদের দাবি ছিল, শিক্ষকেরা শুধুমাত্র পরামর্শদাতা হিসাবে থাকুন। এই দ্বন্দ্বে কোনও রফা সূত্র না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ওই সেল ভেঙে দিলেন কর্তৃপক্ষ। রেজিস্ট্রার সেলিমবক্স মণ্ডল জানান, শিক্ষকেরা পদত্যাগ করার পরই উপাচার্য এই সেল ভেঙে দিয়েছেন।
সূত্রের খবর, যথাযথ ভাবে নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য না দিতে পারায় বিগত নাকের মূল্যায়নে পিছিয়ে পড়তে হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়কে। তাই মাস দুয়েক আগে শিক্ষক ও পড়ুয়াদের নিয়ে একটি পৃথক প্লেসমেন্ট সেল গঠিত হয়। উদ্দেশ্য ছিল নতুন নতুন সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে প্লেসমেন্টকে আরও সচল করা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জুটার সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, "এটা খুব দুর্ভাগ্যের যে কিছু সংখ্যক পড়ুয়াদের জন্য শিক্ষকেরা সরে আসতে বাধ্য হলেন। প্লেসমেস্ট সেলটাই ভেঙে গেল।"