MID DAY MEAL

অবশেষে কাজ করছে কেন্দ্রের পোর্টাল, মিড-ডে মিলের বরাদ্দ অর্থ চাইতে তৎপর স্কুলশিক্ষা দফতর

২০২৩-এ কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করেছিল, তা দিয়েই ২০২৬-এর মার্চ পর্যন্ত মিড-ডে মিল চালানো হয়েছে। এই পুরো খরচের হিসাব অর্থাৎ ‘ইউসি’ (ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেট) দাখিল করা হলে তার পরে পরের বছরের টাকা বরাদ্দ হয়। সম্পূর্ণ হিসেব অর্থাৎ ‘ইউসি’ না দেওয়া পর্ষন্ত পরবর্তী বরাদ্দ অর্থ মিলবে না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৫৪
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

অবশেষে কেন্দ্রের পোর্টাল কাজ করছে ঠিকঠাক। মিড-ডে মিলের তথ্য পেশের কাজ শুরু করল স্কুলশিক্ষা দফতর। দফতরের এক কর্তা জানান, শুক্রবার কেন্দ্রের পোর্টাল (এমআইএস) ঠিক হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হয়েছে।

Advertisement

দফতরের এক আধিকারিক জানান, প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ওই পোর্টালে জমা-খরচের হিসাব পেশ করে দেওয়া যায়। কিন্তু ওই পোর্টাল খারাপ থাকায় এপ্রিল মাসে তা করা যায়নি। পাশাপাশি এই মাস নতুন অর্থবর্ষের প্রথম মাস। তাই বিগত বছরের সম্পূর্ণ হিসেব দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু পোর্টাল খারাপ থাকায় তা করা যায়নি। তাই আদৌ কবে মিড-ডে মিলের টাকা কেন্দ্রের কাছ থেকে পাওয়া যাবে, তা নিয়েই দুশ্চিন্তা শুরু হয়েছিল।

ওই আধিকারিক জানিয়েছিলেন, ২০২৩-এ কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করেছিল, তা দিয়েই ২০২৬-এর মার্চ পর্যন্ত মিড-ডে মিল চালানো হয়েছে। এই পুরো খরচের হিসাব অর্থাৎ ‘ইউসি’ (ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেট) দাখিল করলে তার পরে পরের বছরের টাকা বরাদ্দ হয়। সম্পূর্ণ হিসেব অর্থাৎ ‘ইউসি’ না দেওয়া পর্ষন্ত পরবর্তী বরাদ্দ অর্থ মিলবে না।

Advertisement

অথচ তথ্য আপলোড না করতে পারায় সমস্যায় পড়েছিলেন স্কুল দফতরের কর্তারা। কারণ, মে মাসে মিড-ডে মিল চালানোর মতো টাকা হাতে ছিল না। যদিও ই-মেল করে তথ্য পাঠানোর কাজ শুরু করেছিল দফতর। রাজ্যের ‘অটোমেটেড মেসেজ সিস্টেম’ (এএমএস) নামের একটি পৃথক পোর্টালে রাজ্যের সব জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকেরা প্রতিদিন তথ্য আপলোড করেন। সেখান থেকেই তথ্য নিয়ে কাজ চলছিল। ওই আধিকারিক বলেন, ‘‘আশা করছি, দ্রুতই কাজ শেষ করে কেন্দ্রের কাছে আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য অর্থ বরাদ্দের আবেদন করা যাবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement