— প্রতীকী চিত্র।
ভোটের ফলপ্রকাশের পর মাধ্যমিকের ফল হাতে পাবে পরীক্ষার্থীরা। মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে। আপাতত শেষ পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে।
এসআইআর থেকে নির্বাচনের কাজে— ব্যস্ততার মধ্যেও শিক্ষকেরা সময় মেনেই খাতা দেখেছেন বলে দাবি পর্ষদের। সূত্রের খবর, এ বছর প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক দিয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের সকলের সব খাতার নম্বর পর্ষদে জমা পড়ে গিয়েছে। এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হয়েছে ফের যাচাই করার কাজ, এমনই জানিয়েছেন পর্ষদের এক আধিকারিক। এর পর ‘আরএ’ প্রক্রিয়া বাকি থাকবে।
পর্ষদের এক আধিকারিক জানান, এ রাজ্যে পর্ষদের প্রধান চারটি কেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে একটি বিধাননগরের ডিরোজিও ভবন, অন্য তিনটি যথাক্রমে মেদিনীপুর, বর্ধমান ও শিলিগুড়িতে রয়েছে। কোনও পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরে সমস্যা দেখা দিলে ওই কেন্দ্রগুলিতে সেগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রয়োজনে ওই কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকা প্রধান পরীক্ষকেরাও সেখানে হাজির থেকে সমস্যা হওয়া খাতা পর্য়ালোচনা করেন। নম্বর যাচাইয়ের পর এই ‘আরএ’ প্রক্রিয়া শেষ হলেই কার্যত মার্কশিট প্রস্তুত করতে পারবে পর্ষদ।
গত নভেম্বর থেকে যে ভাবে শিক্ষকেরা এসআইআর-সহ নির্বাচনী কাজে যুক্ত রয়েছেন সেখানে আশঙ্কা ছিল পরীক্ষা শেষ করা এবং ফলপ্রকাশে দেরি হতে পারে। কিন্তু যে ভাবে সময়ের মধ্যে সব খাতা জমা পড়ে গিয়েছে, তাতে খুশি পর্ষদ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রধান পরীক্ষক বলেন, ‘‘সময়ের মধ্যে খাতা দেখতে শিক্ষকদের কার্যত নাস্তানাবুদ অবস্থা হয়েছে। এসআইআর-এর কাজ, তার পরই পরীক্ষা, শেষ হতে না হতে নির্বাচনী কাজের প্রশিক্ষণ— তবুও আমরা চেষ্টা করেছি।’’