উড়ালপুলে রেষারেষির বলি মোটরবাইক আরোহী

নাগেরবাজার উড়ালপুলে সোমবার একটি লরি ও জলের ট্যাঙ্কারের রেষারেষির জেরে মোটরবাইক আরোহী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম চঞ্চল চৌধুরী (৩৭)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মোটরবাইকটির চালক রঞ্জন দাস।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৫২
Share:

নাগেরবাজার উড়ালপুলে সোমবার একটি লরি ও জলের ট্যাঙ্কারের রেষারেষির জেরে মোটরবাইক আরোহী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম চঞ্চল চৌধুরী (৩৭)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মোটরবাইকটির চালক রঞ্জন দাস।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, পেশায় ভ্রমণ সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মালিক লেকটাউনের এ ব্লকের বাসিন্দা চঞ্চল এ দিন দুপুর ১টা নাগাদ সহকর্মী রঞ্জনের মোটরবাইকে চেপে বেরিয়েছিলেন। বিমানবন্দর এলাকার একটি ব্যাঙ্কে কাজ সেরে নাগেরবাজার উড়ালপুল ধরে লেক টাউনের দিকে যাচ্ছিলেন তাঁরা। তখনই উল্টো দিক থেকে একটি লরি ও একটি জলের ট্যাঙ্কার আসছিল। অভিযোগ, তীব্র গতিতে লরির সঙ্গে রেষারেষি করতে গিয়ে জলের ট্যাঙ্কারটি রঞ্জনদের মোটরবাইকের পাশে ধাক্কা মারে। ছিটকে পড়েন দুই যুবকই। চঞ্চলের হেলমেট খুলে গেলে তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। আরও অভিযোগ, ঘটনার পরে প্রায় দশ মিনিট উড়ালপুলের উপরেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন দুই যুবক। ঘটনাস্থলেই জলের ট্যাঙ্কার ফেলে চম্পট দেন চালক ও খালাসি। পরে পুলিশ দুই যুবককে তুলে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চঞ্চলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। ভর্তি করা হয় রঞ্জনকে। যদিও ঘটনার পরে দুই যুবকের দশ মিনিট রাস্তায় পড়ে থাকার অভিযোগ মানতে চাননি নাগেরবাজার ট্রাফিক গার্ডের পুলিশকর্মীরা।

এ দিনের দুর্ঘটনার পরে বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, প্রতিনিয়তই ওই উড়ালপুলে যানবাহনের রেষারেষি চলে। কিন্তু পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয় না। বাসিন্দাদের এই অভিযোগ অবশ্য মানতে নারাজ ট্রাফিক আইসি রিয়াজ খান। তাঁর দাবি, “উড়ালপুলটি খুব সরু। দু’টি গাড়ি ঠিকমতো যেতে পারে না। তাই উপরে পুলিশ ডিউটি করতে গেলে দ্রুত গতিতে চলা যানবাহন তাঁদেরই ধাক্কা মারবে।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement