এমপিএস কর্ণধার প্রমথনাথ মান্না-সহ এক ডিরেক্টর প্রবীর চন্দ্রকে আটক করল পুলিশ। শুক্রবার সারদা কমিশনের ডাকে হাজির হয়েছিলেন তাঁরা। শুনানি চলাকালীন কমিশন জানতে পারে, বাঁকুড়া সদর থানায় প্রতারণা-সহ একাধিক অভিযোগের মামলায় পুলিশ তাঁদের খুঁজছে। সেই মতো কমিশন হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশকে ওঁদের আটক (প্রোটেকটিভ কাস্টডি) করার নির্দেশ দেয়। বাঁকুড়ার সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশকে এ ব্যাপারে খবরও দিতে বলা হয়। কমিশন সূত্রের খবর, বাঁকুড়া থেকে পুলিশ এলেই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ওই দুজনকে।
অভিযোগ উঠেছে, ওই সংস্থায় টাকা রেখে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। আমানতকারীদের আবেদনের প্রেক্ষিতেই তাঁকে কমিশনে ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে একাধিক বার কমিশনে হাজিরাও দিয়েছেন প্রমথবাবু। আমানতকারীদের আইনজীবী অরিন্দম দাস জানান, ২০১২ সালে সেবি ওই সংস্থাকে বাজার থেকে টাকা তোলা বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তারপরেও তাঁরা টাকা তুলছিলেন। এ নিয়ে শ্যামল সেন কমিশনে অভিযোগ জানান আমানতকারীরা। মাসখানেক আগে সারদা কমিশনের চেয়ারম্যানের মুখোমুখি হন এমপিএস গ্রিনারি ডেভেলপারস প্রাইভেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রমথবাবু।