নিরাপদে গাজা ছাড়লেন দুই ভারতীয়, উত্তাল রাজ্যসভা

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২১ জুলাই ২০১৪ ১৮:০৫
Share:

দু’জন ভারতীয় দর্জিকে নিরাপদে গাজা থেকে বের করে আনল ভারত। তাঁরা দু’বছর কর্মসূত্রে গাজায় বসবাস করছিলেন। পাশাপাশি, সোমবার গাজা নিয়ে আলোচনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্যসভা।

Advertisement

দু’জন ভারতীয়কে বার করে আনতে ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের রামাল্লায় অবস্থিত ‘রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিস অফ ইন্ডিয়া’ সাহায্য করেছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, অন্য কয়েকটি দেশের নাগরিকদের সঙ্গে এই দু’জন ভারতীয় ইরেজ সীমান্ত দিয়ে ইজরায়েলে প্রবেশ করেন। রবিবার দু’ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির সুযোগে এঁরা বেরিয়ে আসেন। তবে এখনও বেশ কয়েক জন ভারতীয় গাজায় রয়েছেন। এঁরা হয় ‘মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’-তে কর্মসূত্রে, নয় তো বিবাহসূত্রে গাজায় বাস করেন। এঁরা গাজা ছেড়ে আসতে আগ্রহী নন বলে জানা গিয়েছে।

অন্য দিকে, সোমবার গাজায় সংঘর্ষ নিয়ে রাজ্যসভায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এক সপ্তাহ টালবাহানার পরে এ দিন রাজ্যসভায় এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হলে বিরোধীরা গাজায় ইজরায়েলি অভিযানের তীব্র নিন্দা করেন। একই সঙ্গে ইজরায়েল থেকে অস্ত্র কেনা বন্ধ করারও দাবি ওঠে। রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা গুলাম নবি আজাদ এ বিষয়ে রাজ্যসভায় আলোচনা শুরু করতে টালবাহানার নিন্দা করেন। তিনি এ বিষয়ে সরকারের নীতির নিন্দা করে প্যালেস্তাইন নিয়ে ভারতের বিদেশ নীতির কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি না জানতে চান। প্যালেস্তাইনে প্রাণ ও সম্পত্তিহানির বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাশ করার দাবিও তোলেন তিনি।

Advertisement

অন্য দিকে, ভারত এ ভাবে নীরব থাকতে পারে না বলে দাবি তোলেন রাজ্যসভার সিপিএমের সাংসদ সীতারাম ইয়েচুরি। ভারতে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরবরাহ করে ইজরায়েল। এই ব্যবসার মুনাফা প্যালেস্তিনীয়দের উপরে হামলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় বলে ইয়েচুরির দাবি। তাই সমস্যা না মেটা পর্যন্ত ইজরায়েল থেকে অস্ত্র কেনা বন্ধ করার আর্জি জানান ইয়েচুরি। তা ছাড়া হামাসকে জঙ্গি সংগঠন বলারও বিরোধী তিনি। কারণ, গাজায় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই হামাস ক্ষমতায় এসেছে। তৃণমূল সাংসদ আহমেদ হাসান বিষয়টি অবিলম্বে রাষ্ট্রসঙ্ঘে তোলার জন্য আবেদন করেন। যদিও বিজেপি সাংসদ অনিল মাধব ডাভের মতে, বিষয়টির গভীরে গেলে প্রকৃত সমস্যা জানা যাবে। ভারতকে তার নিরপেক্ষ অবস্থান বদল করে এই সংঘর্ষে কোনও এক দিকে ঝোঁকা উচিত নয় বলে তিনি জানান। বিরোধী পক্ষ তাঁর এই মন্তব্যের প্রবল বিরোধিতা করে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement