—প্রতীকী চিত্র।
বানতলা চর্মনগরীর দূষিত জলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকার চাষাবাদ। মারা যাচ্ছে গৃহপালিত হাঁস, মুরগি। এই নিয়ে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। প্রসঙ্গত, চর্মনগরীর বিভিন্ন কারখানার চামড়া রাসায়নিক দিয়ে শোধন করা হয়। অভিযোগ, সেই রাসায়নিক মিশ্রিত বিষাক্ত জল চর্মনগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। শুধু তা-ই নয়, নিকাশি নালার মাধ্যমে ওই বিষ-জল সরাসরি গিয়ে মিশছে খালে। পুরো বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়েরা অভিযোগ জানিয়েছিলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকাত মোল্লার কাছে। তার পরেই বুধবার ওই এলাকা পরিদর্শনে আসেন বিধায়ক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভাঙড় ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা বানতলা চর্মনগরীর সভাপতি রাকেশ রায়চৌধুরী।
পরে সওকাত অভিযোগ করেন, ‘‘ক্যালকাটা লেদার কমপ্লেক্স ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশন এত দিন কোনও কাজ করেনি। ইমরান খান কোটি কোটি টাকা চর্মনগরীর মালিকদের থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন। অবিলম্বে সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।’’ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে ইমরানকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। মেসেজেরও উত্তর দেননি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তারদহ, খড়োখালি, কাঁকুরিয়া, কাঁটাতলা, ঝাউখালি, দুর্গাপুর, চন্দনেশ্বর ২-সহ বিভিন্ন এলাকার আনাজ ও মাছ চাষ মার খাচ্ছে চর্মনগরীর দূষিতজলে। চর্মরোগ-সহ বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন এলাকাবাসীরা। আইএসএফের জেলা সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, ‘‘চর্মনগরীর দূষিত জল নিয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরে অভিযোগ জানিয়েছি। বর্তমানে সরকারের তরফে যাঁরা চর্মনগরীর দায়িত্বে আছেন, তাঁদের উদাসীনতার কারণেই এই সমস্যা হচ্ছে। আর সওকাত মোল্লা এত দিন কী করছিলেন? নিজের দায় এড়াতে এখন উনি এ সব কথা বলছেন।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে