কারা আসবেন প্রচারে, চিন্তিত নন দিলীপ

দিলীপকে এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘মানুষকে জিজ্ঞেস করুন, তাঁরা দিলীপ ঘোষকে বিশ্বাস করেন কি না, আস্থা রাখেন কি না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কারা আসবেন সেটা কেন্দ্র ঠিক করবে। যাঁকে পাঠাবেন, তাঁকে সামনে রেখে বড় জনসভা করব।’’ তার পরে তিনি বলেন, ‘‘জনসভার দিকে আমরা বেশি যাব না। জনসম্পর্কেই যাব।’’

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৪ ০৬:৫৭
Share:

দিলীপ ঘোষ। —ফাইল ছবি।

প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পর থেকেই নানা মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বর্ধমান-দুর্গাপুরের প্রার্থী দিলীপের কিছু মন্তব্য নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছে তাঁর দলও। দেওয়া হয়েছে শো-কজ়ের চিঠি। দিলীপ অবশ্য তাতে মুখে কুলুপ আঁটেননি। তাঁর কেন্দ্রে প্রচারে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে কেউ আসবেন কি না, সে নিয়ে যে তিনি চিন্তিত নন, সোমবার তা বুঝিয়ে দিলেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, ‘‘কেন, আমি কম আছি না কি! মানুষ দিলীপ ঘোষকে দেখে ভোট দেবেন।’’ এ দিনই সকালে দুর্গাপুরে চা-চক্রে গিয়ে কিছু লোকজনের বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। তৃণমূলের পতাকা হাতে আসা লোকজনের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের গোলমাল বেধে যায়।

Advertisement

তাঁর প্রচারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কারা আসবেন, এ দিন দুর্গাপুরে দিলীপকে এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘মানুষকে জিজ্ঞেস করুন, তাঁরা দিলীপ ঘোষকে বিশ্বাস করেন কি না, আস্থা রাখেন কি না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কারা আসবেন সেটা কেন্দ্র ঠিক করবে। যাঁকে পাঠাবেন, তাঁকে সামনে রেখে বড় জনসভা করব।’’ তার পরে তিনি বলেন, ‘‘জনসভার দিকে আমরা বেশি যাব না। জনসম্পর্কেই যাব।’’ তবে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহের নাম সভার জন্য তিনি জানিয়েছেন বলে দাবি করেন। শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদারেরাও আসতে পারেন বলে জানান দিলীপ।

রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘সারা দেশে যে নির্বাচনী যুদ্ধ চলছে সেখানে এক জনই প্রাসঙ্গিক, তিনি নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী করার লক্ষ্যেই দেশের মানুষ ভোট দেবেন। দিলীপ ঘোষ লড়াকু। তাঁকে নিয়ে অযথা বিতর্ক হয়। তিনি আত্মবিশ্বাসী। তিনি বিপুল ব্যবধানে জিতবেন। সেই অবস্থান থেকেই ওই কথা বলেছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সব কেন্দ্রেই প্রচার করবেন।’’ তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসনের দাবি, ‘‘কে প্রচারে আসবেন, সেটা ওদের নিজেদের বিষয়। তবে উনি বেশি আত্মবিশ্বাস দেখাচ্ছেন। মানুষের সঙ্গে যোগ না থাকার কারণেই এমন বলছেন।’’

Advertisement

এ দিন সকালে দুর্গাপুরে প্রাতর্ভ্রমণ সেরে ফুলঝোড়ে চা-চক্রে যোগ দিতে যান দিলীপ। অভিযোগ, তৃণমূলের পতাকা হাতে কিছু লোকজন সেখানে তাঁর দিকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেন। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের গোলমাল বেধে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। দিলীপ বলেন, ‘‘কিছু মহিলা এসেছিলেন গোলমাল করতে। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের দোকান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই এ সব করছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement