—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
তৃণমূলকেই ভোট দেবেন— এই কথা বলায় বধূকে তার নাবালিকা কন্যার সামনে মারধরের অভিযোগ উঠল এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। মহিলার শিশুকন্যাকেও চড় মেরেছেন বলে অভিযোগ। রেহাই পাননি স্বামীও। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পদ্মশিবিরের পাল্টা অভিযোগে তৃণমূলের এক জনও পাকড়াও হয়েছেন। ওই ঘটনাকে ঘিরে ভোটের মুখে তপ্ত পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর এলাকা।
ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ। পাণ্ডবেশ্বরের বাঙালপাড়া এলাকার বাসিন্দা শ্রাবণী চক্রবর্তীর বাড়িতে বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচনী প্রচারে যায়।
অভিযোগকারিণীর দাবি, বিজেপি নেতারা তাঁকে পদ্ম চিহ্নে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু তিনি জানিয়ে দেন, তাঁর ভোট পাবে তৃণমূল। এ কথা শুনেই নাকি মেজাজ হারান প্রহ্লাদ শাহ নামে এক বিজেপি নেতা। তিনি সকলের সামনে শ্রাবণীকে চড় কষান। শ্রাবণীর ছোট মেয়ের গালেও থাপ্পড় মারেন। স্ত্রী-কন্যাকে মারধরের প্রতিবাদ করায় মহিলার স্বামীকেও বেধড়ক মারধর করা হয়।
ঘটনার পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার দ্বারস্থ হয় ওই পরিবার। শ্রাবণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতেই অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজেপি সাধারণ ভোটারের গায়ে হাত তুলতেও ছাড়ছে না বিজেপি। যদিও বিজেপি পাল্টা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি, নির্বাচনী প্রচারের সময় তৃণমূলের লোকজন তাদের নেতাদের বাধা দেন। হেনস্থা করেন। এ নিয়ে পদ্মশিবির থানায় অভিযোগ করেছে। তার প্রেক্ষিতে তৃণমূলের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর।