WB Elections 2026

নির্বাচনী ব্যস্ততায় স্বাস্থ্যপরীক্ষা পিছোল, রাজ্যের ডবলুবিসিএস আধিকারিকদের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

বৃহস্পতিবার জারি হওয়া একটি নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। পূর্বে ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী ৪০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে বয়সি ডাবলুবিসিএস আধিকারিকদের জন্য বার্ষিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৮
Share:

নবান্ন। —ফাইল চিত্র।

নির্বাচনী দায়িত্বের জন্য ব্যস্ততার কারণে পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (এগ্‌জ়িকিউটিভ) আধিকারিকদের বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার জারি হওয়া একটি নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনিক ও কর্মিবিনিয়োগ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্বে ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী ৪০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে বয়সি ডাবলুবিসিএস আধিকারিকদের জন্য বার্ষিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী এই স্বাস্থ্যপরীক্ষা সংশ্লিষ্ট অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকের মধ্যেই সম্পন্ন করার কথা ছিল। তবে চলতি বছরে সাধারণ বিধানসভা নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দায়িত্বে বিপুল সংখ্যক আধিকারিক ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি বিবেচনা করে রাজ্যপাল স্বাস্থ্যপরীক্ষার সময়সীমা বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছেন।

Advertisement

নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য বাধ্যতামূলক এই স্বাস্থ্যপরীক্ষা আগামী ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত সম্পন্ন করা যাবে। ফলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকেরা অতিরিক্ত সময় পাচ্ছেন তাঁদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা সম্পূর্ণ করার জন্য।

প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে অনেক আধিকারিকের পক্ষে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো সম্ভব হয়নি। তাই বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই নির্দেশ ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন দফতর, জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য দফতর এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশটি প্রশাসনিক ও কর্মিবিনিয়োগ দফতরের ওয়েবসাইটেও আপলোড করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, আধিকারিকদের নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার এই বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালু করেছিল, যাতে প্রশাসনিক কর্মক্ষমতা বজায় থাকে এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঝুঁকি কমানো যায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement