— প্রতীকী চিত্র।
ভোট ঘোষণার পর থেকেই শহর জুড়ে চলছে নাকা তল্লাশি। তারই মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এ বার ভোটের শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতে মোটরবাইকে চেপে টহলদারির উপরেই ভরসা রাখছে লালবাজার। আর সেই সূত্রেই প্রতি রাতে অতিরিক্ত প্রায় ৩০০টি মোটরবাইকের সাহায্যে গোটা শহরে টহলদারি শুরু করেছে পুলিশ। প্রতিটি মোটরবাইকে থাকছেন দু’জন করে পুলিশকর্মী। মহিলা টহলদার বাহিনী উইনার্স-ও মোটরবাইকে টহল দেবে। বর্তমানে গোটা শহর জুড়ে কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে রাতভর টহল দিচ্ছেন পুলিশকর্মীরা।
লালবাজারের এক কর্তা জানিয়েছেন, রাতে যে কোনও ডিভিশনের একটি জায়গা বেছে নেওয়া হচ্ছে। তার পরে সেখানে সকলে জড়ো হয়ে ঠিক করা হচ্ছে, কোন কোন এলাকায় মোটরবাইকে টহল দেওয়া হবে। সেই মতো রাতের শহরে অলিগলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে মোটরবাইক বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, ভোটের দু’দিন আগে পর্যন্ত রাতপথে এই বাইক বাহিনী টহল দেবে।
পুলিশ সূত্রের খবর, মোটরবাইক বাহিনীতে থাকছে প্রতিটি থানার দু’টি করে দল। এ ছাড়া, ট্র্যাফিক বিভাগ থেকে নেওয়া হচ্ছে চারটি করে মোটরবাইকের দল, অফিসার সমেত। তাদের সঙ্গে থাকছে প্রতিটি ডিভিশনের দু’টি দল। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে মহিলাদের নিয়ে গঠিত উইনার্স বাহিনী এবং গোয়েন্দা বিভাগের দলও, যারা রাতের শহরে টহল দিচ্ছে উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই কলকাতার নগরপাল অজয় নন্দ নির্দেশ জারি
করে জানিয়েছিলেন, বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্তা, অর্থাৎ অতিরিক্ত নগরপাল বা যুগ্ম নগরপালেরা রাতের শহরে বাহিনী নিয়ে টহল দেবেন। তার পর থেকেই পদস্থ কর্তারা প্রতি রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং থানায় যাচ্ছেন। এ বার রাতের শহরে মোটরবাইক বাহিনীকেও তাঁদের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
এ বার কলকাতায় ভোট করাতে আসছে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাতে থাকবেন প্রায় ২০ হাজার জওয়ান। তাঁদের সঙ্গে থাকছেন কলকাতা পুলিশের কয়েক হাজার কর্মী এবং অফিসার। ইতিমধ্যেই শহরে নাকা তল্লাশিতে থাকছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। প্রথম দফার ভোট-পর্ব মিটে যাওয়ার পরেই চলতি সপ্তাহে কলকাতায় চলে আসবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাকি জওয়ানেরা। ওই বাহিনী এলেই শহর জুড়ে শুরু হবে তাদের টহলদারি।
অন্য দিকে, শহরের কোন কোন বুথে ২০ শতাংশের বেশি ভোটারের নাম এসআইআরে বাদ গিয়েছে, তার তালিকা তৈরি করার জন্য থানাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৪০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে এসআইআরে। পুলিশের একাংশের অনুমান, নির্বাচন কমিশন ওই তালিকা পর্যালোচনা করে বেশ কিছু বুথকে সংবেদনশীল বলে ঘোষণা করতে পারে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে