রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। —ফাইল চিত্র।
মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এলাকা। ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম থানার ওসিকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। রবিবার আবার এক দফা রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনে রদবদলে মোট ১৭০টি থানার ওসি বদল হয়েছে। তার মধ্যে কলকাতার ভবানীপুর, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম থানা যেমন রয়েছে, তেমনই আছে কোচবিহারের শীতলকুচির মতো থানা। একই দিনে রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ ১১ জন আধিকারিককে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। সব মিলিয়ে রবিবার ১৮৪ জন পুলিশ আধিকারিককে সরানো হয়েছে।
ভবানীপুর থানার ওসি করা হয়েছে সৌমিত্র বসুকে। আগে তিনি কলকাতা পুলিশের এসটিএফে। আলিপুর থানায় ওসি করা হল প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তীকে। একবালপুর থানার ওসি হলেন দিলীপ সরকার। হরিদেবপুর থানার দায়িত্বে ফয়েজ আহমেদ, পর্ণশ্রীতে প্রসেনজিৎ ধর, মানিকতলায় নিরূপম নাথ, নারকেলডাঙা থানার ওসি করা হয়েছে মনোজকুমার বিশ্বাসকে। এ ছাড়াও পার্ক স্টিট থানার ওসি করা হল নিরূপম নাথকে। লেক থানায় গৌরাঙ্গ হালদার, আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার ওসি করা হয়েছে শুভদীপ চক্রবর্তীকে।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি করা হয়েছে শুভব্রত নাথকে। আগে তিনি চন্দননগর থানায় কর্মরত ছিলেন। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি, খেজুরি, চণ্ডীপুর, হলদিয়া, কোলাঘাট, তমলুক, এগরা, পটাশপুরের মতো থানাতেও ওসি বদল হল রবিবার।
শীতলকুচি থানার ওসি করা হয়েছে অভিষেক লামাকে। তিনি কোচবিহারেরই কোতোয়ালি থানার এসআই ছিলেন। এ ছাড়া, দিনহাটা, মাথাভাঙা, গোকসাডাঙা, রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ, করণদিঘি, চোপড়া, ইসলামপুরের মতো থানার ওসি বদল করেছে কমিশন। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট কর্মরত পিন্টু মুখোপাধ্যায়কে দার্জিলিঙের ডিআইবি করা হয়েছে।