West Bengal Elections 2026

ভোটের আগে নিষ্পত্তির হার কত, প্রশ্ন

প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। ফলে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যত নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের মধ্যে যদি কেউ যোগ্যতা ফিরে পান, তিনি ভোটার তালিকার অন্তর্ভুক্ত হবেন। দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ভোট। তার আগে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সেই সময় থাকছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৬:০২
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভোটের দু’দিন আগে পর্যন্ত তথ্যগ্রাহ্য অসঙ্গতির (এলডি) আওতায় বাদ যাওয়া ভোটারদের মধ্যে যাঁরা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন বিচারবিভাগীয় ট্রাইবুনালে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। তবে ২৩টি জেলার জন্য তৈরি ট্রাইবুনালের গতি কতটা এগিয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে বিভিন্ন মহলে। তবে জেলাভিত্তিক বিচারকদের বিবেচনাধীন এলডি নিষ্পত্তির কাজে যতটা সময় লেগেছিল, ট্রাইবুনালে তার থেকে বেশি সময় লাগছে। কারণ, ট্রাইবুনালকে আরও গভীরে গিয়ে বিবেচনা করতে হচ্ছে।

কমিশনের তরফে এ নিয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তাদের যুক্তি, সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ ক্ষমতায় (সংবিধানের ১৪২ ধারা) ট্রাইবুনাল কাজ করছে। ফলে তাদের পক্ষে নিয়মিত খোঁজ নেওয়া সম্ভব নয়। তা বিচারবিভাগের উপরেই নির্ভর করছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা, দিনে ৩০-৪০ ভোটারের আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিচারে আদর্শ কার্যবিধি (এসওপি) তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়েও ধোঁয়াশা আছে।

প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। ফলে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যত নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের মধ্যে যদি কেউ যোগ্যতা ফিরে পান, তিনি ভোটার তালিকার অন্তর্ভুক্ত হবেন। দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ভোট। তার আগে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সেই সময় থাকছে। গতি না বাড়লে এই সময়ের মধ্যে লক্ষ-লক্ষ ভোটারের আবেদনের নিষ্পত্তি সম্ভব কি না, তা নিয়ে চর্চা রয়েছে।

তবে সূত্রের খবর, ট্রাইবুনালে জমা পড়া আবেদন নিষ্পত্তির কাজ নির্দিষ্ট হারে চলছে। তবে আগে এলডি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যা সময় লেগেছিল, তার তুলনায় ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তির কাজে সময় বেশি লাগছে। কারণ, এ ক্ষেত্রে আবেদন মঞ্জুর বা খারিজের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারপতিকে যথোপযুক্ত কারণ ও তা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট রায় দিতে হচ্ছে। সেই রায় তৈরি, টাইপ করা এবং স্বাক্ষরে সময় লাগছে। যে হেতু ট্রাইবুনালের এই রায়ের উপরে সংশ্লিষ্ট নাগরিকের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি বা বাদ পড়া নির্ভর করছে তাই সব নথি খুঁটিয়ে দেখে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে উপনীত হতেও সময় লাগছে। সাধারণত বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত কাজ চলছে। সূত্রের বক্তব্য, এই আবেদন কাজ যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ। তাই আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করতে গেলে আখেরে সমস্যা বাড়তে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন