কলকাতায় বিজেপির উচ্ছ্বাস। ছবি: পিটিআই।
২০০-র গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে বিজেপি। ২০৮টি আসনে তারা এগিয়ে। তৃণমূল এগিয়ে ৭৯টি আসনে।
মানিকতলায় তাপস রায় জিতেছেন ১৫ হাজারের বেশি ভোটে। পরাজিত সাধন পাণ্ডের কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডে। আসানসোল দক্ষিণে ৪০ হাজার ভোটে জিতেছেন অগ্নিমিত্রা পাল।
কামারহাটিতে মদন জিতেছেন সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি ভোটে। বালিগঞ্জে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ৬১ হাজার ভোটে জয়ী। চৌরঙ্গীতে ২২ হাজার ভোটে জিতেছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়।
বরাহনগরে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।
নন্দীগ্রামে জিতলেন শুভেন্দু। ১০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন তিনি।
বাঁকুড়ার ওন্দা, রানিবাঁধ এবং বড়জোড়ায় জয়ী বিজেপি।
ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছোলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি। এর পরে যাবেন মুরলীধর সেন লেনে।
মেখলিগঞ্জে পরাজিত তৃণমূলের পরেশচন্দ্র অধিকারী। জিতলেন বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়।
১৭ রাউন্ড শেষে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে ৫৭০০ ভোটে এগিয়ে। এই কেন্দ্রে মোট ১৮ রাউন্ড ভোটগণনা হবে।
সোনারপুর দক্ষিণে জয়ী বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে গণনাকেন্দ্র ছাড়লেন তৃণমূল প্রার্থী লাভলী মৈত্র।
সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে বাড়ছে বিজেপি কর্মীদের সংখ্যা।
বহরমপুরে ১৬৮৫৮ ভোটে জয়ী বিজেপি। পরাজিত অধীর চৌধুরী। তবে পোস্টাল ব্যালটের ভোট এই হিসাবে নেই।
নন্দীগ্রামে এখনও এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। তবে তাঁর ব্যবধান কমছে। ১৫ রাউন্ড গণনার শেষে এই কেন্দ্রে শুভেন্দু এগিয়ে ১১১৮ ভোটে।
ডোমকল বিধানসভায় সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমান রানা জয়ী। জলঙ্গিতে জিতল তৃণমূল। রানিনগরে কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকার আলি জিতেছেন।
দার্জিলিঙে বিজেপি প্রার্থী নোমান রাই জিতেছেন ছ’হাজার ভোটে। বড়ঞায় জিতেছেন সুখেনকুমার বাগদী, ব্যবধান ২২ হাজার। খড়দহে বিজেপির কল্যাণ চক্রবর্তী জিতেছেন ২৪ হাজার ভোটে। জামুরিয়ায় বিজেপির বিজন মুখোপাধ্যায় ২২ হাজার ভোটে জিতেছেন। কালিম্পঙে ২১ হাজার ভোটে জিতেছেন বিজেপির ভরতকুমার ছেত্রী।
সাখাওয়াতের সামনে বিজেপি সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। ছবি: সারমিন বেগম।
বিজেপি কর্মীরা গেরুয়া আবীর মেখে গাড়িতে। ছবি: সারমিন বেগম।
সাখাওয়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় কমিশন। মোবাইল নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি নেই। সূত্রের খবর, তাঁদের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে গণনাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন অভিষেক। সেখান থেকে তাঁকে বেরিয়ে যেতে বলে নির্বাচন কমিশন। কারণ, তিনি প্রার্থী নন। প্রার্থী বা এজেন্ট ছাড়া গণনাকেন্দ্রে কারও থাকার কথা নয়।
সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে বিজেপির উচ্ছ্বাস। ছবি: সারমিন বেগম।
কলকাতায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের নিরাপত্তা বাড়ছে। ছবি: সারমিন বেগম।
মারমুখী বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। ছবি: সারমিন বেগম।