West Bengal Election 2026

‘বেআইনি গ্রেফতার’,হুঁশিয়ারি তৃণমূলের

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) ও বিশেষ পর্যবেক্ষকের নামে পর্যবেক্ষকদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৩৪
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বিনা কারণে দলীয় কর্মীদের গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত আধিকারিকদের ‘সতর্ক’ করল তৃণমূল কংগ্রস। দলের তরফে বুধবার বলা হয়েছে, ভোট মিটে যাওয়ার পরেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুলিশকে ব্যবহারের দায় চিহ্নিত করে প্রতিটি ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ করা হবে। পাশাপাশি, রাজ্যে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে আসা অফিসারদের উপরে রাজনৈতিক কারণে চাপ তৈরি করা হচ্ছে বলেও শাসক দলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি অবশ্য এই হুঁশিয়ারিতে আমল দিতে চায়নি।

রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে আজ, বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ হচ্ছে। তার ঠিক আগের দিন রাজনৈতিক পক্ষাপাতিত্বের অভিযোগ তুলে কমিশনের উপরে চাপ তৈরি করেছে তৃণমূল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) ও বিশেষ পর্যবেক্ষকের নামে পর্যবেক্ষকদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, হিমাচলপ্রদেশ থেকে এ রাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে আসা এক আইএএস অফিসার সি পলরসু সিইও-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সেই কারণে তাঁকে পর্যবেক্ষকদের নির্দিষ্ট ‘ওয়টস্যাপ গ্রুপ’ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই দাবির পক্ষে ওই ‘ওয়টস্যাপ গ্রুপে’র কথোপকথনের দু’টি ‘স্ক্রিন শট’ প্রকাশ করে কুণাল দাবি করেছেন, ‘‘এখানে দেখা যাচ্ছে, হিমাচলপ্রদেশের এক সময়ের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পলরসু নিজেই এ রাজ্যের সিইও-কে পক্ষপাতদুষ্ট বলে উল্লেখ করেছেন।’’

তৃণমূলের প্রতিনিধিরা এ দিন পুলিশের অপব্যবহার নিয়ে সিইও-র কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। সাক্ষাতের পরে তৃণমূল সাংসদ তথা রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার বলেন, ‘‘এমন নয় যে, নির্বাচন হয়ে গেলে আমরা সব ভুলে যাব। প্রতিটি বেআইনি গ্রেফতারের ঘটনায়যুক্ত আধিকারিককে আইনের আওতায় আনা হবে।’’ সেই সঙ্গেতিনি এ-ও বলেন যে, এই ধরনের ‘বেআইনি’ গ্রেফতার বা পদক্ষেপের নির্দেশ যে আধিকারিকেরা দেবেন, পরবর্তীতে তাঁদেরই জবাবদিহির দায় নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে তিনি কোন রাজ্যের বা কোন বিভাগের, তৃণমূল তা বিবেচনা করবে না।’’ পাশাপাশি, এ দিন সকালে দলের তরফে একটি ভিডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, ভিডিয়োটি ডায়মন্ড হারবারের একটি বেসরকারি হোটেলে এক পুলিশ পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় বিজেপি নেতাদের বৈঠকের।

রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায় রাজীবকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘সারদার লাল ডায়েরির কথা মানুষ ভুলে যায়নি। লক্ষ লক্ষ গরিব মানুষের সঞ্চয় লুট করার অন্যতম সহযোগী ছিলেন রাজীব। তাই ওঁর বাড়িতে সিবিআই যাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী ধর্না দিয়েছিলেন। রাজীব এ সব হুঙ্কার না দিয়ে সাবধানে থাকুন! নতুন সরকার ওই ডায়েরি খুঁজে বার করবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন