(বাঁ দিকে) আটকে যাওয়া কংগ্রেসের প্রচার গাড়ি এবং কাঁচা রাস্তায় টর্চ জ্বেলে হাঁটতে হল বিজেপি প্রার্থীকে। (ডান দিকে)। — নিজস্ব চিত্র।
হুডখোলা গাড়িতে প্রার্থীকে নিয়ে চলছিল নির্বাচনী প্রচার। ঘণ্টাখানেক প্রচারের পরে, রাস্তায় পড়ে থাকা বালিতে থমকে গেল গাড়ি। কর্মী-সমর্থকেরা ঠেলাঠেলি করলেও চাকা গড়াল না কংগ্রেস প্রার্থী আনসারুল হকের প্রচার-গাড়ির। মালদহের মানিকচক বিধানসভার ভূতনির ওয়াহিদুল্লাটোলায়। অন্য দিকে, মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বেলে বেহাল কাঁচা রাস্তায় বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে হাঁটিয়ে রাস্তা পাকা করার দাবি জানালেন বাসিন্দারা। শুক্রবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ বিধানসভার মাধবপাড়ায়।
মানিকচকের কংগ্রেস প্রার্থী আনসারুল হকের শনিবারের প্রচার কর্মসূচি ছিল ভূতনির উত্তর চণ্ডীপুরে। সকালে হুডখোলা গাড়ি থেকে প্রচার করছিলেন প্রার্থী। ওয়াহিদুল্লাটোলায় গাড়ির চাকা আটকে যায় বালিতে। চালক চেষ্টা করেন, চেষ্টা করলেন কর্মী-সমর্থকেরাও। চাকা এক বার ওঠানো গেলেও, ফের আটকে যায়। শেষে প্রচার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়ে আনসারুল হক বলেন, ‘‘তৃণমূল ঢাক-ঢোল পিটিয়ে উন্নয়নের কথা বলে। কিন্তু কী উন্নয়ন হয়েছে, দেখতেই পাচ্ছি! গাড়ি ফাঁসায় প্রচার কাটছাঁট করতে হল।’’ যদিও তৃণমূল প্রার্থী কবিতা মণ্ডল বলেন, ‘‘তৃণমূলের আমলে ভূতনি-সহ মানিকচক বিধানসভা জুড়ে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সংস্কারের জন্যই ওই রাস্তায় বালি ফেলা হয়েছিল।’’
অন্য দিকে, শুক্রবার রাতে কুমারগঞ্জের মাধবপাড়ায় বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে তাঁদের যাতায়াতে দুর্ভোগের কথা জানান বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার দু’বারের তৃণমূল বিধায়ক তথা এ বারের প্রার্থী তোরাফ হোসেন মণ্ডলকে দীর্ঘদিন ওই এলাকায় দেখা যায়নি। মোবাইলের টর্চ জ্বেলে বেহাল কাঁচা রাস্তায় বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে হাঁটানো হয় বলে সূত্রের খবর। শুভেন্দু বলেন, ‘‘এলাকায় যে সব রাস্তা পাকা হয়েছিল, তাদের পিচ ছ’মাসে উঠে গিয়েছে। এটাই বোধ হয়, উন্নয়ন!’’ তৃণমূল প্রার্থী তোরাফ বলেন, ‘‘রাস্তা পাকা করার ব্যাপারটা ভাবনায় আছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে