West Bengal Elections 2026

পথে বাতিল ভোটারেরা, জোট-বার্তা

একই দিনে রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ পরকলা প্রভাকরও কলকাতায় একটি আলাপচারিতায় এবং দ্য এডুকেশনিস্টস ফোরাম বলে একটি মঞ্চের অনুষ্ঠানে সর্বভারতীয় স্তরে সব রাজ্যের নাম বাদ যাওয়া নাগরিকদের একটি সংগঠন গড়ার ডাক দেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:১৩
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

এসআইআর বাতিল করে ২০২৫-এর ভোটার তালিকা অনুযায়ী ভোট করতে হবে বলে আগামী ১৪ এপ্রিল রাস্তায় নামছে ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চ। রবিবার পার্ক সার্কাস ময়দানে ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চের ধর্নার ৪০ দিনে এই দাবি তোলেন ভোটার তালিকায় নাম না-ওঠা বহু সাধারণ নাগরিক। তাঁদের মতে, ৯১ লক্ষ মানুষকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন হতে চলেছে, তা প্রহসন। একই দিনে রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ পরকলা প্রভাকরও কলকাতায় একটি আলাপচারিতায় এবং দ্য এডুকেশনিস্টস ফোরাম বলে একটি মঞ্চের অনুষ্ঠানে সর্বভারতীয় স্তরে সব রাজ্যের নাম বাদ যাওয়া নাগরিকদের একটি সংগঠন গড়ার ডাক দেন।

এ দিন পার্ক সার্কাস ময়দানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের শিক্ষিকা নন্দিতা রায়। তাঁর বাবা ও ঠাকুরদা বায়ুসেনার অফিসার ছিলেন। নন্দিতা বলেন, “বাড়ির ঠিকানার নথি থেকে যা যা নথি দরকার সবই অনলাইনে জমা করে দিয়েছিলাম। ড্রাফট রোলে আমার নাম ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় আমার নাম হয়ে গেল বিচারাধীন। কেন এমন হল, তার সদুত্তর নির্বাচন কমিশনের থেকে পাইনি। এর পরে ৩১ মার্চ দেখি, আমার নামটাই বাদ।” নন্দিতা জানান, ফোনে পাওয়া যায়নি বলেই ‘আনট্রেসেবল’ বা ‘পাওয়া যাচ্ছে না’ দেখানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএলও। নন্দিতা বলেন, “কলকাতায় আছি, কলকাতায় চাকরি করি। তাও কী করে আমাকে পাওয়া যায়নি? হয়তো লেখালিখিতে ভুল হয়েছে। বিএলও আমাকে ফর্ম-৬ জমা দিয়ে নতুন ভোটার হিসেবে আবেদন করতে বলেন। কিন্তু কেন আমি নতুন ভোটার হিসেবে নাম তুলব? ২০০৯ থেকে ভোট দিয়েছি। এখন ট্রাইবুনালে গিয়ে আবেদন করেছি।” তাঁর কথায়, “আমার মতো লক্ষ লক্ষ মানুষ অকারণে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। আমি তাও আইনি সাহায্য নিতে পারছি। কিন্তু অনেকেই দিশেহারা। তাঁদের কী হবে?”

আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক থিয়োলজি বিভাগের প্রধান মহম্মদ শামিম আখতার ছিলেন এই বিক্ষোভ মঞ্চে। তিনি থাকেন এন্টালিতে। শামিম বলেন, “আমার পরিবারের সবাই ভোট দিচ্ছেন বহুদিন ধরে। তাঁদের নাম ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় ছিল। সব নথি জমা দেওয়ার পরেও আমার নাম ‘ডিলিটেড’ দেখাচ্ছে। আমার ভোটার অধিকার ফেরত দিতে হবে।” এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করে পরকলা প্রভাকর বলেন, “এসআইআর প্রক্রিয়া দেশে দু’টি শ্রেণি তৈরি করছে। একটির ভোটাধিকার আছে, আর একটির নেই।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন