গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ।
সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাড়োয়া আসনে ভোটের হার সর্বোচ্চ— ৯৬.৪৬ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার রাজারহাট গোপালপুর— ৮৪.৩৬ শতাংশ। ভবানীপুরে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮৬.৪৩ শতাংশ। ভাঙড়ে ৯২.৩৬ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টার পরেও চলেছে ভোটগ্রহণ। তাই এই হারের হেরফের হবে।
কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৯১.৩১ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টার পরেও বিভিন্ন বুথে চলছে ভোটদান। ফলে ভোটের এই হারের হেরফের হবে। প্রথম দফার ভোটে রাজ্যে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৯২.৪৭ শতাংশ। শেষ পর্যন্ত তা বেড়ে হয় ৯৩.১৯ শতাংশ।
এখন পর্যন্ত যা পরিসংখ্যান, তাতে দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে, দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে হাড়োয়ায়, ৯৪.৫ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮২.১৮ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ৮৫.৫১ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোট পড়েছে ৮৮.১৪ শতাংশ।
দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম কলকাতা দক্ষিণে। ভোটগ্রহণ শেষ হতে এখনও এক ঘণ্টা বাকি। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ।
চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হলে জানা যাবে এ রাজ্যের গড় ভোটগ্রহণের হার।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কমিশন বলছে, আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে রয়েছে গলসি। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৫.১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়, ৭০.১ শতাংশ। ভবানীপুর আসনে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ৭৫.৬৬ শতাংশ।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। সে বার লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল রাজ্যে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়— ৭০.২ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৮.৫ শতাংশ।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সর্বোচ্চ গলসিতে। ৭০.৪৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫২.০৫ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ৫৪.১৩ শতাংশ। ভবানীপুরে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৫৮.৫৩ শতাংশ।
দুপুর ১টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে ভোটের হার ৬১.১১ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৬২.১৮ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। সেখানে ভোটের হার ৬৬.৮০ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে— ৫৭.৭৩ শতাংশ।
দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়— ৫৪.৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৫.১ শতাংশ।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
সকাল ১১টা পর্যন্ত ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সর্বোচ্চ গলসিতে। সেখানে ভোট পড়েছে ৪৭.৮৬ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে মন্তেশ্বর। সেখানে ভোটের হার ৪৬.৮৩ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়— ৩৩.৫ শতাংশ। ভবানীপুরে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৩৭.২৭। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিপক্ষ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভাঙড়ে ভোট পড়েছে ৩৪.২৮ শতাংশ।
দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটদানের হার ৩৯.৯৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সেখানে ভোটের হার ৪৪.৫০ শতাংশ। কলকাতা দক্ষিণে ভোট পড়েছে ৩৬.৭৮ শতাংশ।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় এই হার অনেকটাই বেশি। লোকসভা ভোট হয়েছিল সাত দফায়। ওই সাত দফার মধ্যে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়, ৩৬.৯ শতাংশ। সর্বনিম্ন ভোটদানের হার ছিল সপ্তম দফায়। ওই দফায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল রাজ্যে ২৮.১ শতাংশ।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কমিশনের তথ্য অনুসারে, সকাল ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সবচেয়ে বেশি মন্তেশ্বরে— ২২.৫৩ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে গলসি। সেখানে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ২২.৪৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়— ১৪.৯০ শতাংশ। ভাঙড়ে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ১৫.১৯ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ১৭.০৮ শতাংশ।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটদানের বাড়তি হার দ্বিতীয় দফাতেও অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের সাত (দুই কলকাতাকে আলাদা ধরলে আট) জেলার ১৪২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ১৮.৩৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম দক্ষিণ কলকাতায়। প্রথম দু’ঘণ্টার ভোটদানের হারে দ্বিতীয় দফা সামান্য পিছিয়ে থাকল প্রথম দফার তুলনায়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৮.৭৬ শতাংশ।
তবে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সাত দফাতে সকাল ৯টা পর্যন্ত যে ভোটদানের হার ছিল, তার থেকে এ বারের দুই দফাই অনেকটা এগিয়ে।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
দ্বিতীয় দফার ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে তফসিলি জাতি (এসসি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ৩৪টি আসন এবং তফসিলি জনজাতি (এসটি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে একটি আসন। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র জোড়াসাঁকো, সবচেয়ে বড় কল্যাণী। তবে ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হুগলি জেলার চুঁচুড়া। সেখানে ২.৭৫ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। ভোটারের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া। এই কেন্দ্রে ১.১৭ লক্ষ ভোটার রয়েছেন।
২০২৬ সালে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর পর দ্বিতীয় দফার এই ১৪২টি আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯। তার মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩০৬ এবং মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৪০ হাজার ২১৬২ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭৯২ জন।
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ বুধবার। এই পর্যায়ে সাত জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। ২০২১ সালে এই আসনগুলিতে সম্মিলিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৫৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৫৮। সে বার ওই ১৪২টি কেন্দ্রে ৮১.১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ভোট দিয়েছিলেন ২ কোটি ৮৮ লক্ষ ৬৪ হাজার ৬৯২ জন ভোটার।
গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। বুথের সংখ্যা ছিল ৪৪ হাজার ৩৭৬। কমিশন জানিয়েছে, মোট ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ জন ভোটদান করেছেন। অর্থাৎ, ৯৩.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। রাজ্যের ১৮২টি বুথে ৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে এমন বুথের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চোপড়া এবং রানিনগরে।