চোরের মায়ের বড় গলা
•সিপিএম নেতার অভিযোগ, টাকা ছড়িয়ে ভোট করাচ্ছে তৃণমূল। বাইরের লোক এনে ভোটের কাজে লাগাচ্ছে তারা। ছাপ্পা ভোটে অভিযুক্ত নেত্রীকেও প্রার্থী করেছে শাসকদল। শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে তৃণমূল নেতার তোপ, ‘‘যিনি আমাদের দলের বিরুদ্ধে এই সব অভিযোগ তুলছেন, আপনারা জেনে রাখুন, তিনি নিজেই একটি খুনের আসামি। চোরের মায়ের আবার বড় গলা!’’ এই কাজিয়া চলল বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক নরেন্দ্র চৌহানের সামনেই। সোমবার বাঁকুড়া সার্কিট হাউজে। শেষমেশ সিপিএম নেতা মনোরঞ্জন পাত্র ও তৃণমূলের জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়কে থামান প্রশাসনিক কর্তারাই।
শিউলির ডাক
•আগাম কর্মসূচি ছিল না। তবু পিংলা ও খড়্গপুরে সভা সেরে সোমবার হঠাৎ কেশপুরে হাজির মুকুল রায়! কারণ, কেশপুরের প্রার্থী শিউলি সাহার ডাক। তৃণমূলের অন্দরে বরাবরই শিউলি মুকুল-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এ দিন কেশপুর বাসস্ট্যান্ডের পথসভায় বক্তব্যের মাঝে শিউলিদেবী বলে ওঠেন, ‘‘মুকুলদাকে বলেছি। উনি আসছেন।’’ কথামতোই কাজ হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই এসে পৌঁছন মুকুল।
মোদী-খানা
•ঝাল কিংবা টক একেবারেই চলবে না। আপত্তি মশলাদার খাবারেও। রাখতে হবে কোনও একটি গুজরাতি সব্জিও। সঙ্গে নিরামিষ খিচুড়ি, ডাল, রুটি, দই আর মিষ্টি ফল তো আছেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্য এমনই খাবারের ফিরিস্তি পাঠিয়েছে তাঁর দফতর। আগামী রবিবার খড়্গপুরের দলীয় প্রার্থী তথা রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের হয়ে প্রচারে আসছেন মোদী। সন্ধ্যায় ফিরে যাবেন দিল্লিতে। ফিরতি পথেই সারবেন নৈশাহার। ফর্দ মেনে ওই নৈশাহার পাঠাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।
বাম প্রচারে মমতা
• বামেদের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর মুখোশ! কোনও প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘চুরি না করলে খাব কী’!’ কোনও প্ল্যাকার্ডে, ‘চুরি করা আমাদের স্বভাব, আমরা সবাই চোর, রাজ্যটাকে আমরা চোরেদের রাজ্য বানিয়েছি’। সোমবার বিকেলে এ ভাবেই মুখোশ-মিছিল করে প্রচার চালালেন মালতিপুরের আরএসপি বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি। শাসকদলের দুর্নীতিকে অস্ত্র করেই প্রচার চলবে বলে জানান প্রার্থী।