Ahmadabad Murder Case

ডিএনএ পরীক্ষা, অপরাধবোধ, ‘ভূতের’ আতঙ্ক! কী ভাবে অহমদাবাদ পুলিশ কিনারা করল তিন দশক পুরনো হত্যারহস্যের

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অহমদাবাদের ভাটভা এলাকায় গত ২৯ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট নির্বাহী জেলাশাসক এবং ফরেনসিক দলের উপস্থিতিতে একটি খননকাজ চালায়। সেই সময়ই মাটির তলা থেকে উঠে আসে এক কঙ্কাল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ মে ২০২৬ ২৩:৪৩
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

তিন দশক পর অহমদাবাদের এক হত্যাকাণ্ডের কিনারা করল পুলিশ। প্রায় ১৮ ফুট গভীর কুয়ো থেকে উদ্ধার হওয়া এক কঙ্কালের পরিচয় জানা যেতেই হত্যারহস্যের জট খুলল।

Advertisement

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অহমদাবাদের ভাটভা এলাকায় গত ২৯ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট নির্বাহী জেলাশাসক ফরেনসিক দলের উপস্থিতিতে একটি খননকাজ চালান। সেই সময়ই মাটির তলা থেকে উঠে আসে এক কঙ্কাল। জানা গিয়েছে, তার পরেই ওই কঙ্কালটি শনাক্ত করতে স্থানীয় হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই জানা যায়, ওই কঙ্কালটি ফারজানা দোসুভাই রাধানপুরী নামে এক মহিলার। ১৯৯২ সাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের মতে, দীর্ঘ দিনের পারিবারিক বিবাদের জেরে খুন হন ফারজানা। তাঁর স্বামী শামসুদ্দিন মুসাজি খেদাওয়ালা এবং পরিবারের সদস্যেরা মিলে খুন করেন। প্রমাণ লোপাট করতে দেহ পুঁতে ফেলা হয়।

ডিএনএ পরীক্ষার পরই ফারজানার পরিচয় নিশ্চিত করেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরা। সেই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই জামালপুরের বাসিন্দা শামসুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুধু তাঁকে একা নয়, ফারজানাকে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় শামসুদ্দিনের ভাই ইকবাল মুসাজি খেদাওয়াল। এই মামলায় আরও দুই অভিযুক্ত ইয়াকুবজি জাভারাওয়ালা এবং শালিয়াবিবি সামুদখান পঠানের নাম জড়িয়েছে। তাঁদের খোঁজও চলছে।

Advertisement

ফারজানার মৃত্যুর পর থেকেই মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতে শুরু করে তাঁর শ্বশুরবাড়ির পরিবার। সূত্রের খবর, বছরের পর বছর ধরে তারা ‘অপরাধবোধ এবং আতঙ্কে’ ভুগছিল। প্রায়ই দাবি করত, ফারজানার ‘আত্মা’ তা়ড়া করছে। এই আতঙ্ক কাটাতে নানা তন্ত্রসাধনা করত তারা। তাদের এই সব কর্মকাণ্ড প্রতিবেশীদের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছিল। নানা গল্প ছড়াতে থাকে। সেই সব বিষয় পৌঁছোয় অহমদাবাদের অপরাধদমন শাখার কাছেও। তার পরেই তিন দশক পুরনো সেই মামলা আবার তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement