— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিপদ। কোথাও নিজের অজান্তে চুরি হয়ে যাচ্ছে ব্যক্তিগত তথ্য, আবার কোথাও জালিয়াতির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তথ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য চাহিদা বাড়ছে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের। এই বিশেষ পেশায় কারা যোগদান করতে পারবেন? কোথায় কেমন চাকরি মেলে— সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক বিশদে।
কারা হতে পারেন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ?
সাইবার সুরক্ষা, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন টেকনোলজি, সফট্অয়্যার সিস্টেম, সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স বিষয়ে স্নাতকোত্তর যোগ্যতাসম্পন্নেরা সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট পদে কাজের সুযোগ পেয়ে থাকেন। তবে, এ জন্য তাঁদের নেটওয়ার্ক এবং ক্লাউড সিকিউরিটি, থ্রেট ইন্টালিজেন্স, সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।
বিশেষ শংসাপত্র থাকা চাই:
শুধু ডিগ্রি থাকাই যথেষ্ট নয়, পেশাদার ক্ষেত্রে কাজের জন্য অনুমোদনও থাকতে হবে। নীচে দেওয়া শংসাপত্রের মধ্যে যে কোনও একটি থাকলে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার মেলে—
কোন বিভাগে কেমন চাকরি?
ডিগ্রি এবং শংসাপত্র অর্জনের পর সরকারি বিভাগে চাকরির জন্য পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ দিতে হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার ম্যানেজার, অ্যানালিস্ট, সিস্টেম সিকিউরিটি অফিসার, জুনিয়র সাইবার সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েট হিসাবে কাজের সুযোগ পেলে। ধীরে ধীরে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পেলে সিকিউরিটি অপারেশন অ্যানালিস্ট, এথিক্যাল হ্যাকার, পেনিট্রেশন টেস্টার, সিকিউরিটি আর্কিটেক্ট হিসাবে চাকরির সুযোগ পাওয়া যায়।
বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সাইবার সুরক্ষা বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, ইন্ডিয়ান কম্পিউটার এমার্জেন্সি রেসপন্স টিম, ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া, ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্পোরেশন, সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং-সহ ব্যাঙ্ক, রেল, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় সাইবার সুরক্ষা বিশেষজ্ঞদের চাকরির সুযোগ দেওয়া হয়।
প্রাথমিক ভাবে নিযুক্তেরা প্রতি বছর চার থেকে আট লক্ষ টাকা বেতন পান। অভিজ্ঞতার নিরিখে পদোন্নতি হলে বার্ষিক বেতনক্রম ১৭ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।