— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
ইন্টারনেটের যুগে তথ্যের ভান্ডার ফুলে-ফেঁপে উঠছে প্রতিনিয়ত। সেই তথ্য যথাস্থানে সাজিয়ে দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞের চাহিদাও বাড়ছে। তাই গ্রন্থাগারবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনার পর লাইব্রেরি ছাড়াও অন্য ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ মিলতে পারে।
কর্পোরেট সংস্থা:
ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি), কনসালটেন্সি ফার্ম-এর মতো কর্পোরেট সংস্থায় বিভিন্ন ধরনের নথি ক্যাটালগিং, তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ এবং গবেষণামূলক কাজে কর্মীদের সাহায্য করার জন্য গ্রন্থাগারবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা থাকলে নিয়োগ পাওয়া সম্ভব।
গবেষণা সংস্থা:
তথ্য সংগ্রহ করা এবং তা থেকে রিপোর্ট তৈরি করার কাজেও গ্রন্থাগারবিদ্যা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন হয়ে থাকে। বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় এমন ব্যক্তিদের চাকরির সুযোগ রয়েছে।
আইন বিভাগ:
আইনজীবীদের ফার্মগুলিতে কেস ডায়েরি সংরক্ষণের কাজেও অভিজ্ঞ গ্রন্থাগারিক নিয়োগ করা হয়ে থাকে। তাঁরা আইন বিষয়ে গবেষণা এবং আদালতের তথ্যভান্ডার রক্ষণাবেক্ষণের কাজে যুক্ত হতে পারেন।
জাদুঘর:
গ্রন্থাগারবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা থাকলে ঐতিহাসিক নথি বা পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের কাজে নিয়োগ করা হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে সরকারি জাদুঘর, মহাফেজখানায় চাকরির সুযোগ মেলে।
ডিজিটাল লাইব্রেরি:
ইন্টারনেটের দুনিয়ায় পড়াশোনা থেকে চাকরি সবটাই অনলাইন মাধ্যমে নির্ভরশীল। তাই তথ্যকে ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণের কাজেও চাহিদাও বাড়ছে। বিভিন্ন ডিজিটাল লাইব্রেরি, ওয়েবসাইট কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট, অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম-এ তথ্য সংগ্রাহকের কাজে লাইব্রেরি সায়েন্স বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করা হয়ে থাকে।
এ ছাড়াও সরকারি এবং বেসরকারি নানা বিভাগ, রেল, ব্যাঙ্ক-এর মতো সংস্থায় ডকুমেন্টেশন অফিসার, ইনফরমেশন অফিসার, পাবলিক রিলেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট, রেকর্ড ম্যানেজার, অ্যাকাডেমিক রিসার্চ সাপোর্ট পদেও চাকরির সুযোগ মেলে। তাই গ্রন্থাগারের বাইরে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নথি সংরক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতে পারবেন আগ্রহীরা।