আশার শেষযাত্রায় ১০০০ পুলিশকর্মী! ছবি: সংগৃহীত।
শিবাজী পার্কে আশা ভোসলের শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বিকাল ৪টে নাগাদ। গায়িকার লোয়ার পরলের বাড়ি থেকে শিবাজী পার্ক পর্যন্ত মোড়া হয় কড়া নিরাপত্তায়। শিবাজী পার্কেও মোতায়েন করা হয় পুলিশবাহিনী।
সকাল এগারোটা থেকে বেলা দু’টো পর্যন্ত লোয়ার পরলের বাড়িতে আশাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁর পরিবার ও অনুরাগীরা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে সম্মানও জানানো হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস। এর পরেই আয়োজন করা হয় প্রয়াত গায়িকার শেষযাত্রার। মুম্বই পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শেষযাত্রার জন্য লোয়ার পরল থেকে দাদার পর্যন্ত ১০০০ পুলিশকর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছিল। রাস্তার ট্রাফিক ও যাতায়াত ব্যবস্থা যাতে লঙ্ঘিত না হয়, সেই জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
পথচলতি মানুষকে যাতে অসুবিধায় না পড়তে হয়, সেই সহায়তাও করে পুলিশ। বিভিন্ন স্থানে যান চলাচলের রাস্তা ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি সেই দিকগুলিও সামাল দিয়েছেন পুলিশকর্মীরা।
ফুল-মালায় সাজিয়ে আশাকে সোমবার নিয়ে যাওয়া হয় শিবাজী পার্কে। এর পরে স্বর্গীয় ভাগোজী বালুজী কীর হিন্দু শ্মশানে তাঁর সৎকার সম্পন্ন হওয়ার কথা।
উল্লেখ্য, ১২ এপ্রিল প্রয়াত হন আশা ভোসলে। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তার পরেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু রবিবারই মৃত্যু হয় ৯২ বছর বয়সি গায়িকার। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ায় মৃত্যু হয়েছে আশার। সোমবার সকালে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন উদ্ধব ঠাকরে, তব্বু, রিতেশ দেশমুখ, সচিন তেন্ডুলকর প্রমুখ।