Tollywood Actors On Macha Show

‘সময়ে পৌঁছোনো খুব দরকার’, মাচা অনুষ্ঠান করতে গেলে কী কী বিষয় মাথায় রাখেন ছোটপর্দার অভিনেত্রীরা?

সারা বছর ধরেই ছোটপর্দা, বড়পর্দার বহু অভিনেতা শহরতলি এবং গ্রামাঞ্চলে অনুষ্ঠান করতে যান। সে ক্ষেত্রে অনেক সময়েই জটিল পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তাঁদের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৬
Share:

মাচা অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে কী মত ছোটপর্দার অভিনেত্রীদের? ছবি: সংগৃহীত।

কখনও বলিউড, কখনও টলিউড— একের পর এক ঘটনা। সম্প্রতি, মঞ্চে ‘লাইভ’ অনুষ্ঠান করতে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন লগ্নজিতা চক্রবর্তী, মিমি চক্রবর্তী থেকে মৌনী রায়। গত কয়েক দিনে এই নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। সারা বছর ধরেই ছোটপর্দা, বড়পর্দার বহু অভিনেতা শহরতলি এবং গ্রামাঞ্চলে অজস্র অনুষ্ঠান করতে যান। সে ক্ষেত্রে অনেক সময়েই জটিল পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তাঁদের। এমন অবস্থায় কোন কোন বিষয় মাথায় রাখেন অভিনেত্রীরা?

Advertisement

শহরতলি বা গ্রামাঞ্চলে বড়পর্দার থেকেও ছোটপর্দার অভিনেতাদের চাহিদা বেশি। নিত্যদিন যাঁদের টেলিভিশনে দেখা যায়, তাঁদের চাক্ষুষ করার উত্তেজনা থাকে সকলের মনে। ফলে প্রিয় অভিনেতাদের এক মুহূর্ত ছোঁয়ার জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে থাকেন দর্শক। অনেক সময়েই তাঁদের নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফলে পরিস্থিতি কঠিন হয়। এই ধরনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কী কী প্রস্তুতি থাকে? প্রশ্নের উত্তরে সকল অভিনেত্রীই সহমত, এমন অনুষ্ঠানে সঠিক সময়ে পৌঁছোনো খুব জরুরি।

এ বিষয়ে অভিনেত্রী অহনা দত্ত বলেন, “প্রত্যেক জায়গায় দর্শকের ধরন ভিন্ন হয়। সে তো যে কোনও ক্ষেত্রেই হতে পারে। তবে আমি যে অনুষ্ঠানেই যাই না কেন, সঠিক সময়ে পৌঁছোনোর চেষ্টা করি। অনেকসময় শুটিং থেকে সরাসরি অনুষ্ঠান করতে যাই। তাই আগে বেরোনোরই চেষ্টা করি। যদি কখনও সময়ে ঢুকতে না পারি, সেটাও আগে থেকে বলে রাখি।” প্রায় চার বছর হল বিভিন্ন অঞ্চলে অনুষ্ঠান করতে যান অহনা। অভিনেত্রী বলেন, “আমি চার বছর ধরে এক জন আয়োজকের সঙ্গেই কাজ করছি। একাধিক আয়োজকের সঙ্গে কাজ করি না। সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ এ ক্ষেত্রে।”

Advertisement

একই মত অভিনেত্রী দেবাদৃতা বসুর। অভিনেত্রী জানান, দুই তরফকেই বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। শিল্পীদের যেমন অনেক ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়, তেমনই আবার আয়োজকদের কথাও মাথায় রাখতে হয়। কারণ, এখন রাত ১২টার পরে সম্ভবত অনুষ্ঠান করার অনুমতি থাকে না। দেবাদৃতা বলেন, “আমার যদি মঞ্চে ওঠার সময় থাকে রাত ৯টা, আমি তার আগে সেখানে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করি। কারণ, অনেকে দূর থেকেও অনুষ্ঠান দেখতে আসেন। আমি দেরি করলে সেটা অনেকের সমস্যা হতে পারে। তাই অনুষ্ঠানে সময়ে যাওয়াটা জরুরি। তার পরেও সমস্যা হতে পারে। গ্রামের মানুষ কাছে আসার চেষ্টা করেন বা কখনও অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারি। সে ক্ষেত্রে আমার দেহরক্ষীরা থাকেন। কিন্তু খুব ভয়াবহ পরিস্থিতি না হলে, চেষ্টা করি আমার ব্যবহারে যাতে কেউ খারাপ না ভাবে।”

রুকমা রায়, দর্শনা বণিক থেকে অনন্যা গুহ— অনেক অভিনেত্রীই দূরে অনুষ্ঠান করতে যান। যেমন, গত কয়েক বছরে বেশ কিছু ‘মাচা শো’ করেছেন অনন্যা। তাঁর মতে, যদি এই ধরনের অনুষ্ঠানে সঠিক সময়ে পৌঁছোনো যায়, তা হলে সমস্যা বা জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে। তবে ‘মাচা শো’ করতে গিয়ে শুধু মেয়েদের নয়, অনেক সময়ে ছেলেদেরও সমস্যায় পড়তে হয়। এক বার অঙ্কুশ হাজরাকেও অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। মদ্যপ এক ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য প্রায় গায়ে উঠে পড়েছিলেন বলে জানান অভিনেতা। দেহরক্ষীদের সাহায্যে, নিজেই সেই পরিস্থিতি সামাল দেন তিনি। ছোটপর্দার অভিনেত্রীদের মতে, থানা-পুলিশ না করে এ ক্ষেত্রে যে কোনও জটিল পরিস্থিতি নিজে সামলানোর চেষ্টা করাই সহজ উপায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement