কাটোয়ায় কেমন ভাবে দোল কাটাতেন শ্রুতি দাস
গত কয়েক বছর ধরে পাকাপাকি কলকাতার বাসিন্দা। কিন্তু তাঁর শিকড় রয়েছে কাটোয়ায়। অভিনেত্রী শ্রুতি দাসের বেড়ে ওঠা পুরোটাই কাটোয়া শহরে। এখনও সে ভাবে কখনও কলকাতায় দোল উৎসব উপভোগ করেননি তিনি। শ্রুতির কাছে এখনও তাই কাটোয়ার দোলই এগিয়ে। তাঁদের এলাকায় রং খেলায় কী বিশেষত্ব রয়েছে?
শ্রুতি বলেন, “আমাদের ওখানে দ্বিতীয় দিন রং খেলা হয়। অর্থাৎ দোলের পরের দিন। আমরা ‘কাটোয়ার দোল’ বলেই সম্বোধন করি। কাটোয়ার গৌরাঙ্গবাড়ি, যেখানে শ্রীচৈতন্যদেবের মস্তকমুণ্ডন হয়েছিল, সেখানেই পুজো দিয়ে রংখেলার শুরু হয়। ছোটবেলায় আমি খুবই রং খেলতে ভালবাসতাম। কিন্তু এখন সেই আনন্দটা কিছুটা ফিকে হয়ে গিয়েছে।”
তবে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর জোড়া ধমাকা হত। প্রথম দিন আবির খেলা হত কাটোয়ায়। আর দ্বিতীয় দিন তাঁরা খেলতেন জলরং। শ্রুতি যোগ করেন, “তবে দোলে কখনও প্রেম হয়নি। বছরের বিশেষ বিশেষ সময়গুলোয় কাকতালীয় ভাবে আমি সিঙ্গল ছিলাম। আর এখন তো আমার স্বামী স্বর্ণেন্দুও (সমাদ্দার, পরিচালক) একেবারেই রং খেলতে পছন্দ করে না। তাই আমারও আর সে ভাবে খেলা হয় না। এটা আমার একটা আফসোস বলতেই পারেন। কারণ, ও একেবারেই উপভোগ করে না।”
এখন অবশ্য শুটিং থাকার জন্য জলরং-এর চল উঠেই গিয়েছে তাঁর জীবন থেকে। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, দু’-এক বার শান্তিনিকেতনে বসন্তোৎসবে গিয়েছিলেন। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও কাটোয়ার দোলকেই তিনি এগিয়ে রাখবেন।