বিবৃতি জারি করলেন অমীষা পটেল। ছবি: সংগৃহীত।
৯ কোটি টাকার ঋণ শোধ করতে না পেরে জেলবন্দি হন অভিনেতা রাজপাল যাদব। এ বার চেক বাউন্সের অভিযোগ উঠল অমীষা পটেলের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমন যে, অভিনেত্রীকে নাকি জেলেও যেতে হতে পারে! মোরাদাবাদ আদালতে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা হয়েছে। এ হেন পরিস্থিতিতে অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
ঘটনাটি ২০১৭ সালের। একটি বিয়েবাড়িতে অনুষ্ঠান করার জন্য প্রায় সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা অগ্রিম পারিশ্রমিক নেন অমীষা। এমনটাই দাবি করেছেন পবন বর্মা নামের অভিযোগকারী আয়োজক। তিনি জানান, সেখানে অমীষার থাকা-খাওয়ার সমস্ত বন্দোবস্ত করা হয়। কিন্তু শেষপর্যন্ত অমীষা আসেননি। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, সব টাকা ফিরিয়ে দেবেন। কিন্তু, সাড়ে ১৪ লক্ষের মধ্যে ১০ লক্ষ টাকা নগদে ফেরত দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। বাকি সাড়ে ৪ লক্ষের একটি চেক দিয়েছিলেন তিনি, যা নাকি ‘বাউন্স’ করে বলে অভিযোগ। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন ওই আয়োজক। এই মামলায় অভিনেত্রীকে বার বার সমন পাঠালেও তিনি হাজিরা দেননি। সেই কারণেই এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য ধারায় পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে খবর।
এ বার এ প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে অমীষা বলেন, ‘‘আমি শেষ বারের মতো বলছি। এটা বহু পুরনো একটি মামলা। যেখানে আয়োজক পবন বর্মা একটা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সেখানে যে পরিমাণ টাকায় রফা হয়েছিল সেই বকেয়া সব টাকা তিনি পেয়ে গিয়েছেন। এখন তাঁরা মিথ্যা অভিযোগ করছেন আমার নামে। যাঁরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমার আইনজীবী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আপাতত আমি নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। অন্য কিছুতে মন দিতে চাই না। তাই যাঁরা ভুল কথা রটাচ্ছেন, তাঁদের পাত্তা দিচ্ছি না।’’
এই গোটা ঘটনায় অভিনেত্রীর আইনজীবী ইতিমধ্যেই দাবি করেছেন যে, অমীষা সব টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁর মক্কেলকে অকারণে হেনস্থা করা হচ্ছে।