(বাঁ দিকে) অনিল কপূর, (ডান ডিকে) সুনীতা কপূর। ছবি: সংগৃহীত।
অনিল কপূর ও সুনীতা কপূর দাম্পত্যজীবনের ৪২ বছর পার করলেন। যখন তাঁদের বিয়ে হয়, সুনীতা তখন অন্যতম সেরা মডেল, দারুণ কাজ করছেন। অনিল ইন্ডাস্ট্রিতে তখন কাজ করার চেষ্টা করছেন। বন্ধুর থেকেই ফোন নম্বর নিলেন সুনীতার। সেখান থেকেই শুরু বন্ধুত্বের, সেটা গড়ায় প্রেমে। পাঁচ বছর সম্পর্কের পর, ১৯৮৪ সালের ১৯ মে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তাঁরা। বিয়ের পর থেকেই অনিলের স্টাইলিং ঠিক করা, পোশাক ডিজ়াইন করা, সবটাই করতেন সুনীতা। সংসারের দায়িত্ব বাড়তেই মডেলিংয়ের কাজ কমাতে শুরু করেন সুনীতা। ৪২তম বিবাহবার্ষিকীতে সুনীতা ও তাঁর বিয়ের কোন গোপন কথা প্রকাশ্যে আনলেন অনিল?
অনিল নিজের জীবনের সব সাফল্যের কৃতিত্ব সুনীতাকেই দিয়েছেন। অনিল জানান, তাঁদের বিয়েতে কোনও বিশেষ আয়োজন ছিল না। মাত্র ৩০ মিনিটে বিয়ে সারেন তাঁরা। শুধু তা-ই নয়, বিয়ের পরে মধুচন্দ্রিমাতেও যাননি। অনিলের কথায়, ‘‘কে ভেবেছিল মাত্র ৩০ মিনিটের বিয়ে ৪২ বছরের দাম্পত্যজীবনে রূপান্তরিত হবে।’’ সুনীতার প্রতি অনিলের বার্তা – ‘‘তোমার জন্য জীবনে ঝুঁকি নিতে পেরেছি, নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যেতে পেরেছি। কারণ আমি জানতাম, তুমিই সবটা ধরে রেখেছ।’’
অনিল জানেন, সুনীতাই তাঁর অবলম্বন, সঙ্গী, তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। শুধু অনিলের জন্যই নয়, অভিনেতার মায়ের জন্যও অনেক কিছু করেছেন সুনীতা। তাঁর জন্য তিনি সুনীতার কাছে কৃতজ্ঞ। অনিল বলেন, ‘‘জীবনের প্রতিটি ধাপে তুমি আমার পাশে ছিলে। কাজের জন্য যখন বাইরে থাকতাম, তখন আমার মায়ের মেয়ে হয়ে তাঁর পাশে ছিলে।’’ এককথায় অনিল জানান, সুনীতাকে ছাড়া তাঁর জীবনটাই অচল।