যন্ত্রণায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন অনুরাগ! ছবি: সংগৃহীত।
ওটিটি মঞ্চ ছবিমুক্তির অনুমতি দেয়নি। মানসিক যন্ত্রণার জেরে হৃদ্রোগে পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। গর্ভপাতের মতো অনুভূতিও হয়েছিল তাঁর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান পরিচালক।
সইফ আলি খান ও জ়িশান আয়ুবের ‘তাণ্ডব’ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। তার পরে একটি নির্দিষ্ট ওটিটি মঞ্চ বেশ কিছু ছবি ও সিরিজ়ের মুক্তি আটকে দেয়। তার মধ্যে ছিল অনুরাগেরও একটি ছবি। সুকেতু মেহতার ‘ম্যাক্সিমাম সিটি’ বই অবলম্বনে একটি চিত্রনাট্য লিখেছিলেন অনুরাগ। ৯০০ পাতার সেই চিত্রনাট্য নিয়ে এগোতে না পারায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পরিচালক।
অনুরাগ জানান, তাঁর ছবির বিষয়ে কোনও উত্তর আসছিল না প্রথমে। এই নীরবতা তাঁকে আরও কুরে কুরে খাচ্ছিল। ছবিটি হচ্ছে না, জানতে পেরে শোকে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। অবস্থা এমনই হয় যে, মনোবিদের সাহায্য নিতে হয় তাঁকে। অনুরাগের বক্তব্য, “আমরা যখন নিজেদের কোনও ছবির কাছে সমর্পণ করে দিই, তখন সেই ছবিটা আমাদের কাছে সন্তানের মতো হয়ে ওঠে। এই যন্ত্রণা গর্ভপাতের মতো ছিল।” শুধু মানসিক যন্ত্রণাই নয়, শরীরের উপরেও প্রভাব পড়েছিল তাঁর।
অনুরাগ বলেন, “শোকে ডুবে ছিলাম আমি। সেই সময়ে হৃদ্রোগেও আক্রান্ত হয়েছিল আমি। ‘ব্লাড থিনার’ পর্যন্ত খেতে হয়েছিল। একটা ওষুধের খুব খারাপ প্রভাব পড়েছিল। হাঁপানি শুরু হয়ে যায়। স্টেরয়েড নিতে শুরু করি। মাথাখারাপ হয়ে গিয়েছিল। রোজ মদ্যপান শুরু করি, আর বাইরের খাবার আনিয়ে খেতাম। খুব বাজে ভাবে মদ্যপান শুরু করে দিই।”
এই সময়েই জ়োয়া আখতারের থেকে একটি ফোন পেয়েছিলেন তিনি। ‘মেড ইন হেভেন’ সিরিজ়ে নিজের ভূমিকাতেই অভিনয় করার প্রস্তাব এসেছিল তাঁর কাছে। তখন শয্যাশায়ী অনুরাগ। হুইলচেয়ারে করে চলাফেরা করতেন। জ়োয়ার অনুরোধে শেষপর্যন্ত ঘর থেকে বেরোন তিনি।