Raj Babbar’s relationships

নাদিরার সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে স্মিতাকে বিয়ে! রেখার সঙ্গে ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল রাজ বব্বরের? জানালেন পুত্র

সাক্ষাৎকারে আর্য অকপট জানান, শৈশবে বাবার সম্পর্ক নিয়ে নানা কথা শুনতে তাঁর খুব খারাপ লাগত। রেখার সঙ্গে রাজের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন তিনি।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২২ মে ২০২৬ ১৭:১০
Share:

স্মিতার মৃত্যুর পরে রেখার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় রাজের? ছবি: সংগৃহীত।

রাজ বব্বরের ব্যক্তিগত জীবন ফের আলোচনায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজ ও নাদিরা বব্বরের পুত্র আর্য বব্বরই বাবার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্মিতা পাটিলের মৃত্যুর পরেও রাজের জীবনে আরও একটি সম্পর্ক এসেছিল। তবে এখন এ সব বিষয় নিয়ে তাঁদের পরিবারের মধ্যে আর কোনও তিক্ততা নেই। জানান আর্য।

Advertisement

আর্য সাক্ষাৎকারে অকপট জানান, শৈশবে বাবার সম্পর্ক নিয়ে নানা কথা শুনতে তাঁর খুব খারাপ লাগত। তাঁর কথায়, “কোনও সন্তানই চাইবে না শুনতে যে, তার বাবার অন্য সম্পর্ক আছে।” তবে সময়ের সঙ্গে তিনি বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন।

রাজের সঙ্গে রেখার সম্পর্কের গুঞ্জনের প্রসঙ্গও উঠে আসে। আর্য বলেন, “রেখা এত সুন্দর, তাঁর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করতেই পারেন কেউ। এতে ভুল কিছু নেই।”

Advertisement

১৯৭৫ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ছিল রাজ ও নাদিরার দাম্পত্য। বিচ্ছেদের পরে স্মিতা পাটিলের সঙ্গে বিয়ে। তার পরে ১৯৮৬-তে প্রতীক বব্বরের জন্ম হয়। সেই সময়ের স্মৃতি হাতড়ে আর্য বলেন, “আজ আমার বয়স ৪৪ বছর। ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আমার বয়স মাত্র চার বা পাঁচ বছর। এর পরে বাবা জীবনে অনেক কিছু অর্জন করেছেন, আমাদের পরিবারও অনেক এগিয়েছে। কিন্তু মানুষের মনে থেকে গেল, বাবা কবে একটি প্রেমে পড়েছিলেন এবং সেই সম্পর্ককে সম্মান দিয়েছিলেন। সেটাই যেন আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে গেল। এটা হওয়া উচিত ছিল না।”

আর্য জানান, তাঁরা এই অতীত ভুলে এগিয়ে গিয়েছেন। তাই তাঁর কথায়, “আমরা সবাই সেই ঘটনা থেকে বেরিয়ে এসেছি। তাই অন্যদেরও এখন সেটা ভুলে এগিয়ে যাওয়াই উচিত। কোন সন্তানই বা শুনতে চাইবে যে, তার বাবার অন্য সম্পর্ক ছিল?” স্মিতা পাটিলের মৃত্যুর পরেও আরও একটি সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন রাজ। মজার ছলে আর্য বলেন, “জীবনের সব কিছু প্রসঙ্গে এত আবেগের বোঝা বয়ে নিয়ে চলা উচিত নয়।”

রাজ বব্বর কখনও আইনি পথে নাদিরার সঙ্গে আলাদা হয়েছিলেন কি? উত্তরে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে বাবার সঙ্গে আমার কখনও কথা হয়নি। আর আমার ছোট ভাইয়ের (প্রতীক) প্রতি সম্মান রেখেই আমি এই বিষয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। এক জনের মায়ের কথা হচ্ছে। আমিও তাঁকে ‘স্মিতা মা’ বলে ডাকি। যখন আমি তাঁকে ‘মা’ বলছি, তখন তাঁকে সেই সম্মানও দিই। কারণ বাবা তাঁকে ভালবাসা ও সম্মান দিয়েছিলেন। আমিও সব সময়ে স্মিতা মাকে সেই একই সম্মান ও ভালবাসা দেব।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement